Read Modern Bangla Kabita | Shabdodweep | Best Poetry

Sharing Is Caring:

Read Modern Bangla Kabita – Debjani Basu

গোলামনামা – দেবযানী বসু

ডাকিনীর চটি ও ঝাঁটায় চড়া পলিথিন শরীর মূলাধার জাগ্ৰত ক’রে মেলা ও শ্মশান এক করে ফেলেছে। সবুজের দল। সবুজের এক টেক্কাসমান যতটুকু অবুঝ।আজ কঙ্কাল নৃত্যের অষ্টপ্রহরে মহাজাগতিক শ্মশান বঙ্গের জয়গান করি। বারোটি ভাইবোনের কবর সাত ভাই চম্পার ছাই চাপা গল্প থেকে মাথায় মণি সাপের প্রাসাদ থেকে এত বাচাল বিদ্রোহী সবুজ নিয়ে এল রাজা মারার জন্য। তো সেই কবর ঘাড়ে করে মরমীবাদ সমুদ্রে তেলের মতো প্রসারিত। মৃত সমুদ্রে সলিল সমাধি পাওয়া জাহাজটি বেঁচে আছে জীবন্ত উটের মতো কবিতা স্পর্শ পেয়ে। উটের ঘুম নিয়ে খেলা করে জাহাজ।ছায়া দেয়। চলার পথ করে রমণীয়। ক্ষুধিত জাহাজ।কোথায় পদ্মপাতা আমি সেখানে হব ছদ্মবেশী জল। পুব খোলে নি কেন এতদিন কে জানে। আসতে পারিনি হংসগামিনী ট্রেনের পেছন নাড়িয়ে চলে যাওয়া ফেলে। কলাবনের কলাবতীরা আসন্ন বর্ষালি হাওয়ায় মশগুল। এখন বাজারে টভো চকোলেটের মহিমা। পরিসংখ্যানে ছেয়ে যাচ্ছে হালখাতা। ভালো থাকার হ্যাপা অনেক।

অক্ষরপ্রতিম – দেবযানী বসু

আমি যামিনী, তুমি শশী হে ভাতিছ গগন মাঝে …
মেঘ ফাটিয়েছি সারারাত দু আঙুলে। চাঁদের নিজস্ব হ্যামকে চাঁদ দুলে গেছে। বুদ্ধদেবের পূর্ণিমা মায়ের শাল দুর্বল মেহগনির গায়ে জড়িয়ে দিয়েছে। ভীমপলশ্রীর মণিবন্ধ পরিয়ে এই জোছনা-বিধৌত বিছানা ঘুমের দেশে। কাফি ঠাঁটের ঘুঙুর। অভ্রখণির রাজকন্যাকে পেলাম। কালো দেশের দ্রৌপদী। কীভাবে সাজাবে তাকে মঞ্চের কোলে বসিয়ে জানি না। বুকের ক্ষয়রোগ সাদা মেঘের ভেলা পাঠিয়েছিল তাঁদের জন্য। প্রসাধনে সাধনার ক্ষোভ ঝরে পড়ে। শ্মশান ভাতের থালায় নুন সেজে ঘাপটি মেরে থাকে। কাগজের হাওয়াই জাহাজ লাসভেগাস ভেঙে টুকরো মুখে করে ছুটছে ডাইনোসরের দল। কয়ে কবর কয়ে কবিতা। নিজের অজান্তেই রঙিন দিনগুলো নদীর তীর আর কাঠের বাড়ি খুঁজে নিয়েছে। যার তীর সবসময় নৈঋতমুখো তার কম্পাসও তাই। সারাদিন প্রতিধ্বনির স্রোত। স্রোতের গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আমি নিশ্চিন্ত।

আহীর ভৈরবীশক্তি – দেবযানী বসু

ইডলি সাম্ভরডালের টক গন্ধে তেঁতুল পাতার সুজন জন বৃষ্টি ভেঙে দৌড়চ্ছে। খ্যানখেনে গলায় পেত্নীরা একশো ত্রিশ কিমি বেগে খবর পড়ছে ঝড় ও মৃত্যুর। স্বরতন্ত্র প্রজাপতির ন্যানো পাখা। আমি দীপংকর ও জপমালার কথা ভাবি। তাঁরা গ্ৰন্থিল শিরা উপশিরায়। কতো কথা প্রবাদ করে তুলেছিল স্বর্গের স্রোতে। আমরা হৃদয় শ্বাসমূল করে রাখি। করে দিই একে অপরের। রাতের ভামবিড়ালের চকচকে চোখ আমাদের। চোখেরা শিকল। নয়ন ঠাগ লেঙ্গের আহীর ভৈরবী বেজেছিল — এটুকু শক্তি মন্ত্রের তছনছ হাওয়ায় জানলার কাচে মধুনিম পাতার রসায়ন। কবিতার স্বাদ মাছরা শহর জুড়ে রাজত্ব করে। উল্টানো ছাতায় মাছ নিরাপদ। খিলখিল হাসির শক্তিতে দরজা খুলে যায়। মৎস্যপুরাণ এর মাছ ঘরে ঢুকে পড়ে। আমরা প্রস্তরযুগের পাথর খুঁজে বেড়াই। কষ্ট দুঃখ সব পাথর হয়ে যাচ্ছে শরীরে। তাসে তাসে চিঠি লেখা কিশোরীর আঙুল অবশ।

নিকুম্ভিলা পুজো শেষে – দেবযানী বসু

সৈনিকের লাঠি পথ চেয়ে বসে। আমরা যুক্তি করি শ্বেত পত্রিকার ডানায় কোনো এক ভোরের সকাল সিঁদুর টিপ ফেলে যাবে। যুক্তচিহ্ন সব মাছধরা জালে আটকে যায়। ছাড়াতে পারি না। নক্ষত্রের আলো শুষে মাছের দল ঝিলমিল করেছিল একবার একযুগে পূর্বপুরুষদের কাছে তা রূপকথার ঝুলি। আমিও কালি ঝুলি মাখা সেই থেকে।

ভাটার সময় ধরে কালাশনিকভ সমুদ্রের ভিতরে চলে যায় হেঁটে হেঁটে, আর ফিরে আসে না। বাঁশের কোড়া খায় লটে শুঁটকি দিয়ে শেষ বিদায়ের সময়। তারপর ডাইনির ঝাঁটা বানানো হয় কয়েকটি রামধনু টুকরো টুকরো করে। রামধনুর পাড়ায় বেড়াতে গেলে খালি হাতে মানায় না। উপহার কী দেব ভাবতে ভাবতে দিন ফুরোয়।
খোঁড়া হাঁসের পা নিয়ে তিরস্কার আসছে পিছনে। এখন প্রচুর নীল লাল সবুজ রঙ গোলা গামলারা রাত জাগে অন্ধ শিয়ালের অপেক্ষায়। দিন এলে চোখ ফোটানো গামলায় ঝাঁপ দেয় নেকড়ে কুকুরের দল। তারা গন্ডি টানে শিয়ালের সীমান্ত ধরে।

বিরাগমালা – দেবযানী বসু

ফেংশুই মেনে উড়ে উড়ে চলা এই গলি ঐ গলি। ভূকম্পনের কেন্দ্র বেছে বেছে হংসপরম দরজা বসানো খুব শৈল্পিক। একটাই নামের হুহুংকার খোদাই করা। দেখে যাচ্ছে সোনার খড়ম পরা বহু পর্যটক। আমার আঙুল গুলো মালাকার হয়ে আছে এই ঘর সাজাতে হবে তাই। হাঁপাতে হাঁপাতে রক্তপাঞ্জার জানলা কবরের পাঁজর কাঁপায়। এবং দুঃস্বপ্ন ঝরে গেছে প্যারকা পহেলা নিশান প্রান্তরে। সুখ নয় স্বস্তি এসেছে ঝিলের সূর্যাস্ত ঘিরে। আর কখনো স্কন্ধ কাটার দেশে যেতে হবে না। বৈরি পড়োশন। এলোমেলো স্বপ্নের শহর দেশ গাঁ লোকাল ট্রেনের প্রেমে জাগত ঘুমোতো। এখন বারোতলায় পংখীরাজ ডানা মুড়ে ঘুমোয়। হংসেশ্বরী উড়ান বিপ বিপ বিপ বিপ।

শঙ্খমালার দেশে বালুচরী হাওয়ায় কায়া বিছিয়েছি। সাদাকালো ছকের প্রতারণা ঢেউ দিচ্ছে। পড়শি দেশ নোনা বুক খুলে নখরকে প্রশ্রয় দিয়েছে। একবার জ্বলা নেভার দীপশলাকা সংগ্ৰহে রেখো। কখনো যদি জ্বলে উঠতে চাও সাদা মেঘ কেন আসে তার কৈফিয়ত চেও না।

শিলাবতী জল – দেবযানী বসু

মানচিত্রে বরফঝড়ের সময় আঁকা। সুপারলেটিভ মানুষের পাথরকুচি পাতারা ভেসে যাচ্ছে উড়ে যাচ্ছে। আমরা মরশুমি পাঠক ‘হে’ সম্বোধন পছন্দ করি। ডাকলে অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি রান্নাবান্না শুরু করে দেয়। গ্ৰন্থি লেগে গেলে সুতো কিংবা সম্পর্ক সবাই খানিকটা থতমত। সময়খেকো বক্তৃতাগুলি পাথরমানবদেরকে ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে। দোলনায় দোলে চ্যালেঞ্জ। বরফের ঝড়ে নীলনম্র পাথর আর কঠিন পাথররা ছিল। একমাত্র আবৃত্তিই বাঁচাতে পারত ওদেরকে। পাথরের চেনাঅচেনায় অনেক ধেঁদেছি আমি। গরমকালের মিষ্টি ফলের কাছে পুরস্কার চেয়ে রাখা হোক। পুরস্কার মৎস্যলীলা করে ঘরে পৌঁছেছে। পথ ছেড়ে রেখে খুশি আমি।

রিচ কম রিচ কম – দেবযানী বসু

বেড়াতে বেরোলো কবিতাকারি ও কলমকারি। খবর হল কবিতা ও কলমের করাকরি। ব্যাসবাক্য এতদিনে গঙ্গাগর্ভ ফুঁড়ন্ত মেট্রো রেলের শরীর পেয়েছে। সমাসের গায়ে লেগে কৃত্রিম তুলোর সমস্যা। অবলুপ্ত গোঁসাঘর কেমন আছে ভাবি তাই। প্রতিটি মামলার শেষে নিজস্ব মলমূত্র ভরা পৃথিবী ছেড়ে যেতে মায়া লাগে — এই বাণী কেই বা হজম করবে। আলাদিনের গুহার ভিতরে ঢুকতে আলস্য। হাতুড়ি এখন কমা ও দাড়ির কাজ সেরে দেয়। আলাদিনের গুহায় গোসাবার চাষী, আলুর গুদামঘর তক্তাপোশে হাত পা নাড়ানো ডলপুতুল। বরফ কাঁদায় যদি তোমায় জল তো সান্ত্বনা দেবে। আমস্তকপাদ আর আপাদমস্তক ক্রিস্টাল ক্লিয়ার এক চার্বাকমনা আমি। ঘনঘোর শ্রাবণী কাব্য লিখে শিথিল মাংসপেশী সব। পৌঁছন গেল না।

ছড়িয়ে পড়াই এক কাজ – দেবযানী বসু

এক ঝাঁক স্বপ্ন গোধূলিবেলার মাঠ ছেড়ে উড়ে যায়। আমার তর্জনী পাক খাচ্ছে পৃথিবীর মাথার উপর। শীতলতম দিনের কম্পাস দক্ষিণমুখো হয়ে গেল জনতার ভিড়ভাট্টায়। স্কন্ধকাটা গাছটি দশ হাত নিজের মদরসে ডুবিয়ে খাচ্ছে। একদিন মেট্রো রেলে প্রতিবেশী সীমান্তে পৌঁছব আমরা। গোসাবার চাষী গাছটিকে ফ্রক ছেড়ে শাড়িতে উঠে আসতে দেখেছে। পাড়ে বসে আছে মাতলার কান্নায় আচমন করা বকুলচাঁদ পক্ষী। কোটি কোটি পাখিদের কাকলীতে বধির আকাশ। এত ঘটনার দুর্বার রমণে অবিশ্বাস স্থির হয়ে আছে। মুনিগুণীরা অবিশ্বাসকে ধমকায় আর অবিশ্বাস্যকে মাথায় রাখে। আমার কঙ্কাল প্রথম প্রেমিকের দেশে স্থায়ী আলমারি পেয়েছে। এটাও গোধূলি ওড়ানো পাখিরা জানত। এখন সময় গ্রে ম্যাটার ছানবিন করে জন্মান্তরের সৌহার্দ্য তুলে আনা।

কী এক জগতে – দেবযানী বসু

এক যুগ আগের যারা কোথায় হারিয়ে গেল তার ঠিক নেই। শুধু ফাংগাস লেগে দেয়ালে। লাল নীল সাদা লাফিং বুদ্ধ বুদ্ধিশুদ্ধি নিয়ে খেলে। প্রায় ছশো ডুয়ো অদৃশ্য পোস্ট এক্স ওয়াই জেড কোম্পানিরা দিয়েছে আমাকে। ঘাড়ের উপর যাদু কলমের জ্বালাতন। অদৃশ্য পোকারা ঘুমঘোরে মনোহর কামড়ে দিয়ে যাচ্ছে দু যুগ ধরে। চিকিৎসা বিরহের কান্না। এখন যারা তারা দু দুবার বিচ্ছেদের একাকী মানুষ সিদ্ধিনাথ জেঠা কেয়াকুসুম আর মুম্বাইওয়ালী চারণিতা আর আই পি ভ্যানের নাতি। সবাই বাড়ি পালানো বাবা মুস্তাফা। পিং করে গেলে চমকে উঠে দরজা খুলছি। যদিও জানি টুইট করলেই দরজা খুলে যাবে। জয়বাবা সিদ্ধিনাথ স্টুডিও।

অগ্ৰজদের কথা ভেবে – দেবযানী বসু

সারি সারি জন্মদিনের পাশে দাঁড়িয়ে আমি। শ্লেটমোছা মেঘেরা ঘিরে আমাকে। একজন উজ্জ্বল তারা স্লোগানের উৎস ভেবে দেখছে না। স্লোগান ছড়িয়ে পড়ছে। জলের দেশের লোকটি স্নায়ু রোগের কারণ কী তা পেপার ওয়েট চাপা রেখেছে। দানাদার গলায় ঢেউয়ের দল সমবেত গান করছে। নদীটির কাজ আর ফুরোয় না। আজ কলাবতীদের গ্রুপে হৈচৈ। যতক্ষণ না আমার অবগাহন ততক্ষণ নদীর কোনও মানে নেই। মাধ্যাকর্ষণ হড়কে গেছে। না জেনেই বিদ্রূপাত্মক জোছনা। জানলে না জানি কী হত। নানা রঙের ভুলে সপ্তাহ ভরে ওঠে। আবার জন্মদিন এসে পড়ে।

এপ্রিলতায় জর্জর – দেবযানী বসু

ফাঁকা মৌচাক কী প্রমাণ করে? অশ্রুকুচির পাশে পি সি চন্দ্রা বাগানের চন্দ্রিমা। হাড়হাভাতে উনুনের পিয়া বাবরি ঘর ভাসানী। কোমর না বাঁকাতে বাঁকাতে কবিতায় কাঠি আইসক্রিমের আনন্দ উৎসব। অচেনা ককপিটের পিঠে শিরদাঁড়ায় পানসি ভাসানো মেরুন দুঃখ। হেঁচে কেশে জোঁকের হেঁটে যাওয়া ঝুল বারান্দা বরাবর। মানুষের পেনিস হাঁটে ঐরকম। মোহরসম্মানে কলমের আটখানা হাতপা। চুমু পজিশন নিয়ে ঠোঁট থমকে থাকছে। ডিরিডিরি ডারাডারা তৎসম শব্দের লয়কারী। ছুঁড়ে দিচ্ছি অনবরত ‘দ্যাখো তো চিনতে পারো কিনা’ বাড়ন্ত অভয় …

ক্ষুদ্র মৌচাক – দেবযানী বসু

ঢোল বাজে। তাপিত হৃদয়ে ঢোল বাজে। উন্মুখ ভারতবাসীর চোখে নগ্নতা বৃষ্টি করে ফিরছে কখনো কুকি, কখনো মনিপুরী মেয়ে ও মায়ের দল। পান্তাভাতে নমনীয় বিটনুন, কাঁচা লঙ্কার সহবাস। হাড়হারামিদের পাঁজরে ভায়োলিন বাজে নবরাত্রির। মানুষ খাবে কী? লেফ্ট ওভার। খাতায় কলমে লেফ্ট ওভার। সর্বত্র। এমনকি গদির পায়ার উকুনেরা সংকীর্তন খেয়ে বেঁচে আছে। পথ চলতে চলতে হিক্কা তুলছে যারা তাদের জন্য অনলি বিমলের মতো অনলি সুমনের সন্তানরা হারিয়ে যাচ্ছে। কাঠ ডাকলে কি খোট্টাকে আসতেই হবে? তবুও চন্দন কাঠ দস্যু তৈরি করে যুগে যুগে অনিবার।

দাগি আমি, তুমি জানতে – দেবযানী বসু

যেরকম পুরনো ছিলে সেরকমই থাকো। হায়না ও হরিণেরা ছাল চামড়া বদল করছে অনবরত। কোভালম সাগরতীরে কোনো আদম ও ইভ নেই। হয়তো আন্দামানেও নেই। নগ্নতা সুখের হয় একমাত্র আকাশে গ্লিসারিন পিল গুঁজে দিলে। ধ্রুপদী সঙ্গীতের পুরোনো জামদানি গলায় আটকে আছে কারো কারো। হাল চাষী তো নয় যে মহফিল ছেড়ে গেলে আবারও ঢুকতে পারবে। কার ডানায় কতোটা তহবিল তার সন্ধানে কাক লাগিয়ে দিচ্ছে। তাক লাগিয়ে দেবার ব্রতে আমিই তো আছি।

অবিশ্বাসীদের জন্য – দেবযানী বসু

কালো জমিনের একফালি সাদা নদীটি ফিরে এসেছে। গর্ব ও উল্লাস দেখার মতো। ধানের প্রক্রিয়ায় নদীকে ভেনে ফেলবেন সংকলন। পর পর ভালোবাসার কোলে ও কোলনে আশ্রিত কাঠবেড়ালীর সংসার। গল্প থেকে চুষে নিচ্ছে দুধ। শুধু দান কেন গানও খয়রাতি করা যায় কবরে ঢোকার আগে। ইচ্ছেপুতুলের বিষদাঁত ভেঙে দিলে বাকি সব বেবাক ফকির হে বেবাক উল্লু। পেনিসের টিপ ছাপ মেরে মেরে ইচ্ছে খতম। সকাল সন্ধ্যা উলু দেয় হরিণ ও হায়নারা মিলে মিশে। কত কোটি জাঙ্গিয়া ও কাঁচুলী এযাবৎ স্বর্গে গেছে কেউ হিসেব রাখে নি।

ভাঙি অচলায়তন – দেবযানী বসু

জ্যেঠি ও নরবুদের জন্য স্বর্গ নাদুসনুদুস হয়ে বেঁচে আছে। প্রসাদলাভ এক বড় ব্যাপার। টিরেনোসোরাস আর গৃহকর্তার রেষারেষিতে আমজামলিচুর বাগান ধ্বংস। কবিতার তখন নাকি ছরকুটে চেহারা। আহা লবঙ্গলতা কবিতারা রক্তের নানা অসুখে ভুগছে। আহা থেকে হায় অব্দি ষড়যন্ত্র রচিত হল। রাষ্ট্র কবিতা পোষে। কবিও পোষে। কালসাপ পোষে। বাচ্চা বয়সে বোঝা যায় নি। গঙ্গা যমুনা সহোদর বোন বিষনীল শরীর মেলে এঁকেবেঁকে যায়। রেষারেষি শিবরঞ্জনী ধরে শাওনভাঁদোর জগতে পৌঁছায়। যুবতী ল্যান্ডস্কেপের দিকে চেয়ে আছে পিকাসোর ঘোড়ারা।

অঙ্গঅঙ্গদ – দেবযানী বসু

স্বপ্নের সঙ্গে সঙ্গে মাতৃভাষা কেন্নোর পায়ে ঘুরে বেড়ায় ঘরময়। টোকা পেলে কবিতার ভিতর গুটিয়ে যায়। কানের ভিতরে গেলে বানান দন্ত্য ন এর বদলে মূর্ধণ্য ণ হয়। মূর্ধার স্পর্ধা আর স্পর্শ কবি ও কবিকবি মানুষ মানুষীরা জানে। নোনতা মায়ের বিদ্যা অধরা। মা হিসেবে তারই ক্ষমতা শুধু হৃদযন্ত্র জানে। পাম্প করে বার করে রক্ত থেকে প্লাস্টিক। বোকা পাথরগুলো ভেসে উঠছে জলে।

ঋবাচক – দেবযানী বসু

জমি ও জল নোনতা করে যাত্রা তার। ঘর হতে দেড় কিমি দূরে ভীষ্মের শরশয্যা। এ সময়ে জনগণনা করা উচিত কি কৌয়া কৌয়া রবের জনতার? শরশয্যাটি ভুলের সাগরে তোড়ে ভেসে গেল। যাবার আগে শিখিয়ে দিলেন আর্নিকা থার্টি আর নেট্রাম মিউর দুটি নবজাতকের নাড়ি কাটা ব্যর্থ করার অভিসন্ধি। জানতেন মিউর আর মিউল পাশাপাশি বসে। বোকা সেলফোনগুলোর জলের ভিতরে শ্বাসকষ্ট হয়। মাথার বদলে সবাই নাচুনে রঙ চেয়েছে।

কল্যাণরস – দেবযানী বসু

ওদের পাশার ভিতর কোনো গ্রেগর সামসা জাতীয় পোকা ছিল না। কুরুক্ষেত্র আজ ফুটবল মাঠ। বীরের শিবিরে ছেয়ে গেছে। বিদেশি লিলিপুট আর ফুট এর সমারোহ। তাই বলে বহুব্রীহি কোরো না আমারে। পাহাড়ি রাগের কোলে সূর্যাস্ত। দীর্ঘ এক কিমি দিগন্ত জুড়ে বলের মতো সূর্য গড়িয়ে চলেছে। এঙ্গোরা উলের ওভাম আর সীমেন। দুজনেই ছুটে ছুটে খেলছে। একটুখানি ঠিক কথার জন্য হাপিত্যেশ।

বক্রভাবে লাগা – দেবযানী বসু

শরতের ইংরেজি ফল আমি দেখিয়াছি। গাছের তরুণ অস্থি নতুন লি. ম্যাগ বার করেছেন। চক্রনেমিতে রেডিয়াম। এরকম কঙ্কাল হাড় ছোটখাটো ছড়িয়ে দেওয়া গাছের কাজ। মানুষের নয়। চোখ চিরকাল ভার্জিন। পবিত্র। সকালের রোদ্দুরে মুসুর ডালের বড়ি। কৃষ্ণের পায়ের গ্যাংগ্রিন গন্ধ বনের বাতাসে। ক্রো ম্যাগনন যুগকে ফেরাতে কে কে চৈতন্য পেতে দিয়েছ হাত তোলো।

পত্ররেণু – দেবযানী বসু

সময় মতো অজগরকে হরিণ দেবো রঙও দেবো। অপবিত্র পৃথিবী জুড়ে হলুদ সবুজ লাল জাজিম। কোনো সিপিয়া রঙ নেই। বনমোরগ এরকম জাজিম চেয়েছিল। একদিন সব শাড়ি সাগরে গিয়ে মেশে। ন শো ছিয়াশি সালে আমাদের সবার অশ্রুতে অ্যাসিড রিয়াকশন ছিল। এখন আমাদের অশ্রু একেবারে মিনারেল টাইপ। শুকনো গোলাপ ফেললে তাজা হয়ে উঠছে। মঁপাসার গল্পে ফেলে দ্যাখো কী হয়।

ক্যাটফিশ – দেবযানী বসু

নন্দীশ শপিং মলের আকাশে পাটোলা স্নেহমমতা মিলনসংকেতের বিপবিপানিবিপনি গুলেঘুলে একাকার। বিস্ময়ের বুদ্বুদ পেকে লাল। হাইটেনশান তারে ফিঙের ফিঙ্গারপ্রিন্টের উদাসীনতা। আমি প্রবীরকে কপি করেছি হাজারবার কিন্তু দিগন্তে পেস্ট করি নি। সে কোন বুদ্বুদে ঘুমিয়ে পড়ে জানি না। অফার চলে কোটি টাকার বুদ্বুদ ধরে গর্ভবতী করে দেবার। রাস্তা ফলানো জীবন ইটের পাশাপাশি লম্বালম্বি আদর মেনে নেয়। হাতের ফেলা তাস রাস্তায় শরীর ফেলে দেয় হাসপাতালের অভাবে। এইভাবে আলাদা করে দিতে পারো না। ঈগলের ঠোঁটে যে প্রার্থনা তাই তো রাহিলীনা মাছেরা খায়। অফার দিতে আমিও শিখি।

চ্যাটফিস – দেবযানী বসু

মাপাধানি রাজধানীর নুড়ি পাথরের সঙ্গীত পায়ে নূপুর পরাল। বাঁজখাই অঙ্কের মানুষটি টি টা খানা খানির আসরে এল। ততদিনে পর্যটক জলের আদরে কুকুর ও মানুষের ভালোবাসা হয়ে যায়। মৃত্যু মেনে নিয়ে শুঁয়োপোকারা যাত্রাকে ধর্মীয় করে রাখে। মেসেঞ্জারে আসা সব গোপাদ্রি আমার না। সুঝলক কথাকারী এমব্রয়ডারি এমব্রায়োয় ব্যবসা করে বাড়ে। ভ্রমরবাসিনীর ফ্যাশন-কপচানো জামায় জীবনানন্দ দাশ। মোড়ের চক্ষুদ্বীপ ঘিরে চোখের আলোর রবীন্দ্রনাথ।রেটিনায় ঝরে পড়ে চলার পথের বরষা ভেজা গোপাদ্রি। কারো মরদ খবর খেয়ে পেট ঢোল করে। খাঁড়ির তলায় এক পয়সার লিঙ্গসহ মরে যাবে একদিন। শল্পীত ডিলডোর সঙ্গে দেবলিঙ্গের লড়াই। নির্দেশ কাজ করে মনের গভীরে লজ্জাবিন্দু না রাখার। বিদূষকের হাতে নৃত্যনাট্য শাসন করার অধিকার। লিঙ্গকে মুক্তি না দিলে বিদূষক মরেই যেত। কথাদের হাহাকার গায়ে মাখিনি। নরীর উপস্থিতি চারিদিকে পিকনিকের আবহাওয়া গড়ে। শিশুদের শিশ্ন পবিত্রতম বড়দের আদরের। আইল্যান্ডের গোলকধাঁধায় গাড়ি ঘুরে মোরো না। সান্ত্বনা অসুখ ব্ল্যাকমেইল করে ফিরে আসছে। ঘটমান বর্তমানের ঘট উল্টিয়ে অতীত ফিরে আসে। হাজার ওয়াটের জননযন্ত্র শুঁয়োপোকাদের। ওদেরও সম্মোহন মৃত্যু।

আইআইরিশ – দেবযানী বসু

চর ছিল…ছোট বাংলো… অতনুতনু ঘর খালি করেও রয়ে গেছে। আধমোছা আল্পনা থ্রিডি নাচে গান গায়।
ভ্রমরকৌটো মশলাকৌটো পদ্মকৌটো হাঁপিয়ে উঠেছে। র কত লুকিয়ে রাখবে আমাকে। অনুবাদের নিঃশ্বাস উদাস। নাম গুম হবার ছিল, গুমরিয়ে ওঠার ছিল। কঝকে কালো আকাশ তারাময় স্মৃতিরাও।দেখি যা সব বাইনোকুলারে প্রবেশ করে, আটকাতে পারি না। মাকড়সাক্যামের প্রেমে যৌনতার আর্তি বেশি। ইনপুটে পড়ে পাওয়া ইঙ্গুদী মেয়ে। আছে পদ্মনাভ লোমশের সন্ধানে। হড়কা বানের সঙ্গে আচমকা শোক একঘন্টা আরোহ থেকে অবরোহণ। সা থেকে মা এর দূরত্বে মেশে ছা ও মায়ের অমরত্ব।

রোজ ওয়াটার, পদ্ম ওয়াটার – দেবযানী বসু

শরতে ‘অঘ্রাণে’ বাজিপটকার ঘুমপাড়ানি গানে শিশু ও বয়স্করা ঘুমোয় জাগে। শীত কি আমার প্রেমিক হবার যোগ্যতা নিয়ে আসবে? সিঙ্গল মল্টের এস-এস-সি পাশের যোগ্যতা প্রশ্নের মুখে। বাঘের মুখে শীতের পোস্টার। এন আর আই স্যুটকেসের গন্ধে রবীন্দ্র সরোবরের রাজহাঁসরা চনমনে। ভোরের স্বাস্থ্যোদ্ধারে সরোবর বিদেশিনী জিভে আরো চনমনে। পরোয়া না করার প্রেমে প্রেমে বাজে ফরাসি সুগন্ধি। লুকিয়ে লুকিয়ে মজা জ’মে রাবড়ি। ভিখিরি বেশ্যা চোরচোট্টার দেশে প্রেম এলিগ্যান্ট রাজহাঁস। গলা মুটকে ছাদের জলাধারে রূপকথায় বেঁচে থাকে। নরম্বু উদ্বেগ… তোমাদের কথাকলি পুতুল। অল্পই ছোঁড়ে হাত পা। তবু কাকলীতা কলকলিতা কাদম্বরী বাণভট্টের, তার বারোমাসি। আমাদের সব কিছু উত্তরের পর্বতে, পাদদেশে। পাদচারণায়। মেঘাড়ম্বড় ধুলো নেই। চালাকচালাক পারিবারিক পাথরগুলো একমাত্র কোটিপতি। পাথরের সংগ্রহে ঋতু বদলের খোলস অনেক।

দ য়ে ব ফলার বৈধতা – দেবযানী বসু

বালিকা সাইকেল উড়ে যায় নীলে। শকল খোলস নূপুর সমান্তরালে এলে সানাইধর্মী নাক সচল। বুঝি ধোঁয়া-ঘোরানো চাইনিজ স্যুপের অলৌকিকতা। স্যুপের ভাবের ঘরে বৌদ্ধিক স্তূপ। বিনয়াঞ্জলি। স্যুপের দামালপনা। ঝোপঝাড় মাদকতা শেষ ট্রাম লাইন অব্দি যাবে আরো অনেক বছর। প্যাঁচা উল্লাসে থ্রি পজিশনের পশ্চাৎ আলো দেখায়। স্রোতের ধাক্কায় আঁকা থাকে আসামি পক্ষের পরিচয়। তোমাদের কেউ আমাকে পেলে না। কোনো পাওয়াই মাউন্ট এভারেস্ট অব্দি পৌঁছল না। এখন তর্কের বহু দূরটি বহু নিকট হয়ে উঠেছে। খেলাসফল হৃদয়েরা গভীর রাতেও ট্রাফিক সবুজ হয়ে দাঁড়ায়। সিন্ডিকেট এ বিষয়ে নীরব। ব্যাংক রক্তকরবীর রাজাকে দেখিয়ে দেয়। জীবনের সঙ্গে সঙ্গে দেশ এগিয়ে গেছে। সফলতা কাঁঠালের আঠায় জড়িয়ে বসতবাড়ি জন্মাবে দু পায়ের ফাঁক দিয়ে। বেনারসী কাঁটাচামচরা দাম্পত্য সেরে রেললাইনের ক্লিভেজ আঁকড়ে ঝুলন্ত। রাগ হলে বিরাগের পাশে বসি।

সম্ভরা হিট করে গেলে – দেবযানী বসু

ছবিদের দর ও ঘর বদলে কোনও আপত্তি নেই। ফর্ক সির্ফ ইতনা সা থা — এই মর্মে মর্মরিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। ভাতের থালা চোরেরা সভক্তি জাতীয় সঙ্গীত গায়। জঙ্গল ও শহরের মাঝে স্পার্টান দেওয়াল পুরস্কার ফিরিয়ে দিচ্ছে। পয়া পয়ারের পায়ে পায়ে জানগুরু নিজেকে রেখেছেন। আমি কোন্ ছারপোকা মরণজল পান করে জীবন্ত থাকি। কলমের মাখন আমাকে স্ট্রোক দিতে শিখিয়েছেন। নগর পোড়ানোর উৎসবে বঁফায়ার মুষড়ে পড়েছে। কুকুর ল্যাজে বাঁধা ঘুড়ি উড়িয়ে মহানন্দময়। সুন্দরী কচুরিপানায় ডুবে যাব একদিন বাঁচি কি না বাঁচি ভাবব না। পদ্মনীলাভ আকাশ মহাশাল ও বাওবাবের সংলাপ প্রশ্নপত্রে রেখেছে। নতুন মানুষদেরকে শব্দ আর ভাষা কাঁটাচামচে খাওয়াই। মিলনসভা ছেড়ে কেন পালাবে তুমি অপরিহার্যতায় ?

দেবযানী বসু | Debjani Basu

108 Famous Lord Shiva Temples | Anirban Saha

Secrets of Lord Jagannath | Best Article 2023 | Avijit Pal

Best Bangla Article 2023 | প্রাচীন সভ্যতার সন্ধানে খড়ি নদীর তীরে

Famous Places in Murshidabad | Best Travel Story 2023

Bangla Kobita Abritti Songs | Mixed Kobita Bengali Kobita | Sound of bangla kobita lyrics | Sound of bangla kobita in english | Sound of bangla kobita mp3 download | bluetooth bandopadhyay kobita | bratati bandyopadhyay kobita lyrics | bratati bandopadhyay kobita mp3 download | Bangla Kobita Abritti | Best Bangla kobita MP3 Songs | Kobor Bangla Kobita.mp3 | Hits of Bratati Bandopadhyay | Bangla kobita music | Bangla Audio Book | Esho Abritti Kori | Bengali Recitation | Kobita Lyrics Poetry In Bengali | Shabdodweep Web Magazine | High Challenger | Shabdodweep Founder | Sabuj Basinda | Bengali Poetry | Bangla kobita | Read Modern Bangla Kabita 2024 | Poetry Collection | Book Fair 2024 | bengali poetry | bengali poetry books

Read Modern Bangla Kabita pdf | Bengali Poem Lines for Caption | bangla kobita | poetry collection books | poetry collections for beginners | poetry collection online | poetry collection in urdu | Read Modern Bangla Kabita Ebook | poetry collection clothing | new poetry | new poetry 2023 | new poetry in hindi | new poetry in english | new poetry books | new poetry sad | new poems | new poems in english | new poems in hindi | Bengali Poem Lines for Caption in pdf | new poems in urdu | bangla poets | indian poetry | indian poetry in english | indian poetry in urdu | indian poems | indian poems about life | indian poems about love | indian poems about death | Best Bengali Poetry Folder | Best Bengali Poetry Folder 2023

story writing competition india | story competition | poetry competition | poetry competitions australia 2023 | poetry competitions uk | poetry competitions for students | poetry competitions ireland | Bengali Poem Lines for Caption crossword | writing competition | writing competition malaysia | Bengali Poem Lines for Caption in mp3 | writing competition hong kong | writing competition game | Best Bengali Poetry Folder pdf | Trending Read Modern Bangla Kabita | Read Modern Bangla Kabita – video | Shabdodweep Writer | bee poem | poem about self love | story poem | poetry angel | narrative poetry examples | poetry reading near me | prose poetry examples | elegy poem | poetry reading | poetry websites | protest poetry | prayer poem | emotional poetry | spoken word poetry | poem about god | percy shelley poems | jane hirshfield

spiritual poems | graveyard poets | chapbook | poems about life | poems to read | English Literature | Read Modern Bangla Kabita examples | poems about life and love | elizabeth bishop poems | poems about women | sister poems that make you cry | famous quotes from literature and poetry | mothers day poems from daughter | poem about community | Read Modern Bangla Kabita Ranking | positive Best Bangla Kobita Collection | Bengali Poem Lines for Caption about life struggles | toni morrison poems | good bones poem | google poem | funny poems for adults | inspirational poems about life | friendship poem in english | paul laurence dunbar poems | freedom poem | sad poetry about life | freedom poem | sad poetry about life

Natun Bangla Kabita 2024 | Kobita Bangla Lyrics 2024 book | New Read Modern Bangla Kabita | Writer – Read Modern Bangla Kabita | Top Writer – Natun Bangla Kabita 2024 | Top poet – Natun Bangla Kabita 2024 | Poet list – Kobita Bangla Lyrics 2024 | Archive – Read Modern Bangla Kabita | Bangla Full Kobita | Online Full Kobita Bangla 2024 | Full Bangla Kobita PDF | New Bangla Kabita Collection | Shabdodweep Online Poetry Story | Poetry Video Collection | Audio Poetry Collection | Bangla Kobitar Collection in mp3 | Bangla Kobitar collection in pdf | Indian Bengali poetry store | Bangla Kobita Archive | All best bengali poetry | Indian Read Modern Bangla Kabita | Best Poems of Modern Bengali Poets | Best Collection of Bengali Poetry in pdf | Bengali Poetry Libray in pdf

Autograph of Bengali Poetry | India’s Best Bengali Writer | Shabdodweep Full Bengali Poetry Book | Bengali Poetry Book in Google Bookstore | Google Bengali Poetry Book | Shabdodweep World Web Magazine | Shabdodweep International Magazine | Top Poems of Modern Bengali Poets | Bangla Kobita in Live | Live Read Modern Bangla Kabita | Bengali Poetry Recitation Studio | Sabuj Basinda Studio for Bengali Poetry | Bangla Kobita Sankalan 2024 | Shabdodweep Kabita Sankalan | New Bengali Poetry Memory | History of Bengali Poetry | History of Bangla Kobita | Documentary film of Bengali Poetry | Youtube Poetry Video | Best Bangla Kobitar Live Video

Live Video Shabdodweep | Bengali to English Poetry | English to Bengali Poetry | Bengali Literature | Full Bengali Life of Poetry | Bangla Kobita Ghar | Online Kabita Archive Library | New Bengali Poetry House | Full Bengali Poetry Collections PDF | Library of Bangla Kobita | Bengali Poetry and Story | Bengali Poetry Writing Competition | World Record of Bengali Poetry Writing | Peaceful Poetry | Online High Trend Bangla Kobita Selection | High Trend Bangla Kobita translation in english | High Trend Bangla Kobita | High Trend Bangla Kobita for instagram | romantic bengali poem lines | bengali short poem lyrics

Leave a Comment