Bengali Poetry Analysis | Best Shabdodweep Bangla Kobita

Sharing Is Caring:

Bengali Poetry Analysis – Rajkumar Byadh

এবং এখানে এখন – রাজকুমার ব্যাধ

আমার কবিতা কথার পংক্তিগুলো
আন্দোলনরত
শোষকবাহিনীর বিরুদ্ধে
প্রতিনিয়ত
প্রতিধ্বনি
সাক্ষ্য বহন করে
কবিতা কথার পংক্তিগুলো –

বিষয়
ভেবে দেখার জন্য বোধ কাজ করে
দরদ দিয়ে দেখি
প্রতিনিয়ত কবিতা কথা
মনে হয় পথ দেখায় –

কুটিল
জটিল
থাকে না;
সংগ্রাম ছাড়া
জীবন
বাঁচার সফলতা পায় না
অলীক কল্পকথা
আলোকিত হয় এভাবেই –

প্রকৃতি রুষ্ট – রাজকুমার ব্যাধ

কোথায় গেল
কাল বৈশাখী ঝড় বৃষ্টি?
ভাবছি কতই কথা
একি অনাসৃষ্টি !
আবাদের জমি চারিদিকে শুকনো –
ওই সাদা বক আসে যায় দেখি রুগ্ন!
খালে বিলে নেই জল টলটল –
বুনোহাঁস সাগরে বুঝি করে কোলাহল;
মানুষের অনাচারে প্রকৃতি রুষ্ট;
প্রকৃতির মন নেই তাই তুষ্ট।
সোনার বাংলা থেকে
হারিয়ে গেছে বন্যা,
কোথায় গেল বৃষ্টি যে
সে মেঘের প্রিয় কন্যা;
বৈশাখ গেল জ্যৈষ্ঠ গেল
এলো আষাঢ় –
হায়রে বৃষ্টি নেইকো দেখা
শুধু তোমার।

ওগো পদ্ম তাকাও এবার
দেখি রূপ ও ভঙ্গি তোমার
প্রেমিক ছাড়া মধু সঞ্চয়
বিষয় এমন বড়ই লজ্জিত

যাওয়া আসা

অনুভূতি – রাজকুমার ব্যাধ

একলা আমি বসে আছি
প্রিয় নদীর পারে,
মনের কথা মনে ভাবি
তোমার অভিসারে।
তোমার
গুণের কথা শুনেছি,
রূপ
না দেখে ভালোবেসেছি,
তোমায় আপন মনে করি –
কল্পছবি আঁকি বারেবারে।

জীবনের পরম বন্ধু তুমি
একবার আসিও কাছে –
সকল কথা বলার মাঝে
একটি কথা বলার আছে।
সকল অপরাধ
ক্ষমিয়ো প্রভু,
লজ্জা আমায় আর
দিও না কভু;
পরিহাসে ভরা জীবন নিয়ে –
কেমনে দাঁড়াবো তোমার দ্বারে।

আমাদের কোন কথা শেষ নেই – রাজকুমার ব্যাধ

তোমার কথা মনের
বুঝি শেষ হয় না
তোমার দৃষ্টি থেকে স্মৃতিচিহ্ন
হারিয়ে কোথাও যায় না
তোমার বুকের আকর্ষণ থেকে
ঢেউ দেশান্তরে যায় না
তোমার পথে চলা পায়ে পায়ে
স্বপ্ন বীজ ফুরিয়ে যায় না।

আমরা চোখ মেললে
ফুল বাতাসের শরীরে
সুঘ্রাণ মাখিয়ে দেয়
আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষার কাছে
জটিল কোন রহস্য
বাস্তবিক থাকে না ঢাকা ।

আমাদের আকাঙ্ক্ষিত আশা
প্রতিটি প্রশ্বাসে বেঁচে থাকে
আমাদের দুর্লভ জীবনে
তুমি নিশ্চয়ই টের পাও
আমাদের স্বপ্নকে
সাজিয়ে দিচ্ছে সময়।

আচরণ – রাজকুমার ব্যাধ

যদি তার জন্যে বাঁচার রসদ হারিয়ে যায়
তার মসনদে থাকা না থাকা দুই-ই সমান
ক্ষমতার বলে আরও কিছুদিন
টিকে থাকা সম্ভব তার
সেই থাকার কোনো গুরুত্ব হয় না
যে রাজ্যে সন্তান সম প্রজার মুখে হাসি নেই
নিজের সুখে আত্মসুখী হবেই সে
বিড়াল ইঁদুর দেখে নিষ্ঠাবান হয়েছে কবে
যার মনের কোণে কুটিল বিষ
কিংবা মিছরি ছুরি
সরলতা কখনোই সাদামাটা নয় তার

বোকার হদ্দগুলো মানুষ চিনলো না এখনও
কেমন সুখে আছো বন্ধুরা
ঘরে ঘরে ডিগ্রিধারী কর্মবিহীনে
মানসিক রোগের শিকার হয় – হয় বুঝি
ওই কোন্ জন গেয়ে চলে সঙ্গীত
জটিল কুটিল দেব ও দেবীর শাসনে
আচরণ সেজে উঠেছে অশোভনে

সঙ্গী যৌবন – রাজকুমার ব্যাধ

দেখাও তুমি স্বপ্নের ছবি নির্জন নির্জনতার ;
দেহগিরি গুহার ভেতরে আলোর স্বাদ চমৎকার।

স্বচ্ছতা ছুটছে ধবল অমল যৌবন দুর্বার গতিতে –
দেখাও তুমি স্বপ্নের ছবি শোভন শোভিতে।

আনন্দ আরো ব্যস্ত ভাব অনিন্দ্যসুন্দর বোধের আভায়
টের পায় ! ওগো কৌতূহল বাড়ে মধ্যরাতের মায়ায় ।

পুষ্ট ঠোঁটের চুম্বনে উঠুক জেগে যুদ্ধক্ষেত্র নতুন আঙ্গিকে,
ধূলায় গড়িয়ে পড়েও ভালো লাগার রঙ তো হয় না ফিকে!

স্বপ্নের কাঁধে ভর দিয়ে গাও গান সুন্দরে –
পড়েছি ধরা, ভুলিয়ে রাখো যে তোমার নজরে।

চুলের ঝালরে জড়িয়ে রেখেছ মনের আরাম –
মাখামাখি মনোভাব সময়ের কাছে থাকে বদনাম।

চির-জনমের সুখ সঁপে দেয় মন মিলন-বেলায় ,
ব্যক্ত করে না জীবন তখন বেদনার কোনো কথাই!

তোমার বুকের অঙ্গন জুড়ে খেলা করে জন্মের স্বাদ;
তুমিও সঁপেছ নিজেকে তাই করোনি কোনো প্রতিবাদ।

যত চাওয়া তত পাওয়া তবু কি হয় – আছে তার শেষ –
দেখালে আবেগ আদরে মোহন রূপের রাজ্য অশেষ।

এখান থেকে জন্ম নেয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব কত শিব
এ হেন পরম ভাবনায় জুড়িয়ে গেল প্রাণ অতীব।

প্রকৃত ভালোবাসার মাঝে জেগে থাকে অনন্ত সত্য –
ভালোবাসাহীন ভাবনায় ভাষায় থাকে না জৌলুষতম অর্থ ।

প্রকৃতি বড়ই অদ্ভুত সে শুধু নিজেরই শাসনে বদলায়;
ধীরে ধীরে নদী এমনি করে এসে মিশে যায় মোহনায়।

বাস্তবিক – রাজকুমার ব্যাধ

যারা চিহ্নিত নয় তারা স্থির
যারা চিন্তায় ব্যাকুল
ফিরে যাওয়া মানুষকে
ফিরিয়ে আনতে চায় জন দরদী মন

যারা সব গিয়েছে চলে
তাদেরকে লোভ দেখিয়ে
ফিরানো যায় না
আর যাদের ভাঁড়ারে টান পড়ে
অচেনা মুখ চেনা হয়ে আসে
জন সাধারণের মগজ ধোলায়ের জন্য

কিছু সংখ্যক মানুষের মন
অনুভূতিতে নাড়া দেয়
নিজেদের কারো দুঃখ নিজেদের মধ্যেই
সমাধান করা চমৎকার
ভাঙা গড়ার খেলায় মত্ত
হাতে গোণা কিছু লোক
এলাকা ভিত্তিক
সুবিধাবাদীরা সুবিধাগুলো
লুঠ করেই নেয়
যেখানেই যাও নিশ্চয়তা
পাওয়া দারুণ সংশয়ে থাকে

এভাবে কি জীবন কাটবে – রাজকুমার ব্যাধ

সারাদিন মন ভ’রে অন্যদিকে অনিবার্য –
শ্রেণীবদ্ধভাব খুঁটিনাটি চিন্তাতে বিষয় বিন্যস্ত হয়ে;
এভাবে কী জীবন কাটবে? এভাবে কী কাটবে?

ইচ্ছার শব্দ মর্ম-ছেঁড়া এই সব রীতিনীতি
ক্রমশঃ জটিল কুটিল দেখি
সরলতা নির্ণয় করা
বোঝা যায় – বড় দায় – তারপর –

রাত্রির গায়ে হাত বুলিয়ে দেখি –
বৃষ্টিতে নদী লুকিয়ে ভিজছে বেশ
গদ্যের ভাষা তখনো অনুজ্জ্বল;

বাতাস গঙ্গা স্নান ক’রে পাড়া-গাঁয়ে আসে , আর –
শব্দ অনিন্দ্যসুন্দর হয়ে বসে আছে বোধকক্ষে ।

এখনও দেখিনি যাকে
কেউ না জানুক মন জানে
চোখ খোঁজে তাকে –

প্রেমের আলো জ্বেলে দেখেছি তোমাকে
অন্ধকার জানে রাত্রির জঠরে
জেগে থাকে সব ইচ্ছা।

যত্রতত্র – রাজকুমার ব্যাধ

‘মাছ না পেয়ে ছিপে কামড়’
আবোল তাবোল বলতে বলতে হয়ে যাচ্ছ বকাটে
আজও বিশাল – রকম কর ভুল
পরিবার তন্ত্র করার আশায়
উন্মুখ হয়ে তোমার মন!

চোখ থেকে যে হিংস্র দৃষ্টি আনলে বয়ে; এবং
মনের গায়ে মাখিয়ে রাখলে জ্বালা –
সত্যি তুমি চক্ষুশূল হতে না চাও
প্রগতিশীল চিন্তার আশ্রয়ে থাকো দিবস – যামী।

তোমাকে অফুরন্ত আমিত্বে পেয়েছে
অনভিজ্ঞের মতো জটলা সৃষ্টি করে
তুমিই অস্বস্তির চরম সীমায়
সর্বনাশার আমিত্ব বোধ তোমাকে
দূরত্ব করেছে বুঝতেই পারনি তুমি।

রবীন্দ্রনাথ! রবীন্দ্রনাথ! – রাজকুমার ব্যাধ

রবীন্দ্রনাথের রেখে যাওয়া সম্পদ
আমি সব পড়িনি।
তবুও রবীন্দ্রনাথ
আমার হৃদয় জুড়ে
ভাবের ঘরে বসে যেন সে
বুঝি ; আমাকে করিনি অনাথ।
‘গীতাঞ্জলি’ পড়েছি, পড়ি এখনও
বুঝেছি কতটুকুই বা
‘চোখের বালি’ পড়ার সুযোগ পেয়েছি একবার;
‘ছুটি’ গল্পটা খুবই ভাল লাগে
‘অমল ও দইওয়ালা’ পড়েছি অনেকবার।
‘জনগণমন – অধিনায়ক জয় হে’
গলা ছেড়ে বলে উঠি
রবীন্দ্রনাথ! রবীন্দ্রনাথ!
যখনই মন হয়েছে উতলা
তোমার গান শ্রবণ করি
তোমার গানের কথা
অসাধারণ অসাধারণ
তুমি রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকবে
আরও হাজার বছর
তোমার দুর্লভ সঙ্গীত
সৃষ্টির জন্যে।

সাধারণ সনেট – রাজকুমার ব্যাধ

হৃদয় শোভিতে
ভ্রমে যায় কত ম্লান;
মধুর গীতে
খুশি ভরা মুগ্ধ প্রাণ;
নেই কোনো অভিমান।

নেই শব্দ স্তব্ধ
নেই কোনো পরিহাস
বোধোদয় শব্দ
উদ্দাম কি সাবাস;
চিন্তিত মনোদাস।

ফাগুন হাওয়া –
চুপি চুপি আসে ওই;
পথ যে চাওয়া
প্রাণকথা কাকে কই;
ভাবিয়া নাকাল হই।

আনন্দের দিনে
অনুতাপ থাকি ভুলে;
নব কথা মনে
স্বপ্ন সাজানো যে ফুলে;
দেবতা বুঝি ব্যাকুলে।

চাঁদের সে আলো
কুয়াশায় যাচ্ছে যে ভিজে;
মন তো ভাবলো
অদ্ভুত ! প্রকৃতি যে
কথা বোধে গাঁথি যে।

কলতানে নদী
বয়ে চলে সাগরে –
রূপ নিরবধি
নদীর প্রেম অন্তরে ;
মেশে সাগর শরীরে ।

ফিরে যে চাওয়া
ভেঙে যায় বারেবার,
জলের ছায়া
বাতাসে চমৎকার
দেখি কম্পিত বাহার।

বাবলার ডালে

বুড়ো পেচক বসিয়া;
রাত পোহালে
ধূসর পক্ষ রাখিয়া;
বাসায় গেল ফিরিয়া।

ধর্মষণ্ড চলে
দেখে বুঝে চলো বেশ
থাকবে কুশলে; –
মনে রেখো আবেশ;
এভাবেই বেলা শেষ।

১০

ভাবিও শোভনে
দোষ মনে; রক্তে নয়; –
মানব জীবনে
দোষী সাধু হয়
চতুরম্ ধোঁকাময়!

১১

ব্যবহার ভদ্র
ভিতরে অশুভ শক্তি;
আছে কত ছিদ্র
দেখাবে কত যে যুক্তি;
সবি নয় অযুক্তি।

ছায়া – রাজকুমার ব্যাধ

ছায়া থামাতে পারব না কোনদিন
মনের গহনে আক্ষেপ কত
অরূপাশা হাঁটিয়ে নিয়ে বেড়ায়
শুধু চুপ থাকতে দেয় না চিন্তা

দুঃখ জীবনে আসে যায়
কতই স্বপ্নগাছ শুকিয়ে যায় ধীরে
একলা একা কাতর অনুভব
মেঘপাহাড় সরিয়ে ম্লান চন্দ্রিমা!

আঘাত পেয়েও ভালবাসা
আবেগমাখা আশা উচ্চ
মগজে কিলবিল পোকার নাচনে
অরূপকথা চমক দিচ্ছে কেবল।

নতুন কোনও স্বপ্নের সাংকেতিক কথায়
প্রিয়মন গেয়েছে ভাল লাগা সংগীত।

আগে যৌবন পরে ভাগবত গীতা – রাজকুমার ব্যাধ

আগে যৌবন পরে ভাগবত গীতা
যে শক্তি এসেছে যৌবনে –
যদিও বোধশব্দ বড়ই গভীর
থাকো সজাগ কেবল কথ্যবাঁধনে।

সময়ের গতি বাতাসের গতি
আর মনের গতি নিক্তির কাঁটার মত;
সকল ধর্মের সারমর্ম এখানেই
বাক্য সরল ব্যাখ্যার নেই অন্ত।

সে ধনের মুখের বাণী এসেছিল যৌবনে
যৌবন ব্যতীত ধর্ম কর্ম অসম্পূর্ণ –
যৌবনে সৃজন – সৃজনই যদি না থাকে
ভাগবত গীতা দেখে যাবে যে শূন্য।

যৌবনেই ধ্বংস আবার যৌবনেই জয় নিশ্চিত
আগে তুমি সৎ হও হবেই তুমি সু-শোভিত।

ক্ষ্যাপা তুমি, সে ক্ষ্যাপা নও – রাজকুমার ব্যাধ

চামড়ার মুখ নিয়ে মুখিয়ে আছে মানুষ
শব্দ রসিয়ে কসিয়ে শব্দোচ্চারিত করে
‘ক্ষ্যাপা তুমি – সে ক্ষ্যাপা নও!’

তাকালে দেখি চোখের জ্যোতি ঠিকরে পড়ে
তোমার অলীক-ভাবনা শরৎমেঘের মত চরে
শান্ত সবুজ সুন্দর দূর্বা-ঘাস-মন
চামড়ার মুখ হলেও সমঝদার চিন্তা করে
‘ক্ষ্যাপা তুমি – সে ক্ষ্যাপা নও!’

বোধের অন্তরালে থাকা কথারা
ভাবনার মাঝে কাদের রূপ দেখি আমি
সমঝদার স্বল্পকথা আওয়াজ দেয়
‘ক্ষ্যাপা তুমি – সে ক্ষ্যাপা নও!’

কবিতা যখন কঠিন – রাজকুমার ব্যাধ

তোমার শরীরের আকর্ষিত রূপ আমাকে নাড়া দেয় না
অথচ তোমার মনের কথা নাড়া দেয় গভীরভাবে;
বলেছ , ভালবাসার স্বাদ বাতাসে উড়ে যাওয়া
তুলোর মত এতটা হাল্কা হলেও বোধের চাপ কঠোর আরও!

অনুভব সহজ, বিবর্ণ সময়ের কথা বর্ণিত করা কঠিন;
ভালবাসি বলতে শুনতে খুবই সহজ
স্নেহের সাথে সম্মানের সাথে ধরে রাখা একটা রচনার মত নয়
প্রিয় কেউ একবার বাতাসের সাথে হারিয়ে গেলে
জীবন-স্রোতের ওঠা-নামা ঢেউগুলো সম্পর্কে
নতুন ক’রে গভীরভাবে পরিচিত হতে শেখায়।

তোমার মত করে বলতে না পারলেও
তোমার মত ক’রে কথা কিঞ্চিৎ মাত্র
ভাবতে পারছি, এই ভাল লাগাটা কেমন
হতে পারে ? আগে কখনও ভাবিনি।

মাতা মেরীর পুত্র যীশু – রাজকুমার ব্যাধ

গীর্জাতে গেলে মন যীশু যীশু
আমি নই মন করে প্রার্থনা –
তৃতীয় নয়নে ভাসে প্রভু যীশু
দূরে সে নেই যদি করি আরাধনা।

তার উপদেশে জীবের হয় কল্যাণ
তাকিয়ে দেখ তার চোখ ও মুখের দিকে;
মাতা মেরীর পুত্র যীশু ক্রুশবিদ্ধ
তার স্নেহসুধা মুখের বাণী হয়নি ফিকে।

হিমের পরশে হৃদয়ে রয়েছে গাঁথা মুগ্ধ প্রেম
আজ খুশির জোয়ারে উদ্বেলিত;
যেখানে যীশু সেটাই যেন বেতলেহেম
মনোগীর্জায় তুমি; – শোভিত – শোভিত।

প্রিয়তম – রাজকুমার ব্যাধ

অনুভবে; তুমি কাছে, তুমি কাছে প্রিয়তম
মন; তাই ভেবেছে – এঁকেছে ছবি;
তুমি দেখ আর চিন্তা কর কথা স্বপ্ন
অনুভূতি দিয়ে স্বপ্নস্নানে টের পাও সবি।

আমি দেখি, এই সুন্দর হবে ফিকে একদিন
মগজ ছুঁয়ে মন ভাবে, পবিত্র রাখ কাকে বারেবার?
যার হাত দু’টি এখনও পরিষ্কার হয়নি
এখুনি ভাবতে পারি না ইচ্ছা শুভ তার।

বুদ্ধি কখনো – রাজকুমার ব্যাধ

বুদ্ধি কখনো বুদ্ধির বিরুদ্ধে কথা বলে না
বুদ্ধি চুপ থাকে, কেন না দোষী মন দোষে থাকে
চোখে দৃষ্টি কমে এলে, দোষী নিজের মুখ দর্পণে
সুন্দর উজ্জ্বল নির্ণয়ে অনুজ্জ্বল নিশ্চিত –
বুদ্ধি চুপ থাকে কেননা দোষীর কাছে বুদ্ধি বিক্রিত
বুদ্ধি চুপ থাকে কেননা বুদ্ধিগাছেরও ভয় থাকে
বুদ্ধিগাছের বিরুদ্ধে সোচ্চার শব্দ করে হবে না কিছুই
কেননা তারা শিক্ষিত যে আর সব অশিক্ষিত
বুদ্ধিগাছের ধৈর্যের কাছে আর সব তুচ্ছ!

চিন্তা হয় – রাজকুমার ব্যাধ

এখন অনেক কথায় কান না দিয়ে এই মন চুপ থাকে
জ্যোৎস্না রাতে বেড়াই হেঁটে কোন্ রজনীগন্ধা ফুলের
ঘ্রাণ বাতাসে মাখায় ?
এখন অনেক কথায় কান না দিয়ে
এই মন চুপ থাকে
অনুভূত জীবন আপ্লুত হয়
ওষ্ঠাধরের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায়
মন বিনিময় দেখেছিল প্রকৃতি

কবিতা থাকো কোথায় – রাজকুমার ব্যাধ

কবিতা থাকো কোথায়
বোধের শব্দে বিভোরে রয়েছে কবিতামন
কেবল অনুভব করি ছন্দের ভাঙাগড়া খেলা
‘কবিতা থাকো কোথায়?’

কবিসম্মেলন হয় এখানে প্রতিবছর
এখানে কথার পাখনা
তিতলির মুগ্ধ ডানার মতো মেলে
অনিন্দ্যসুন্দর অনুভূতি অনন্যোপায়
বোধের সিঁড়ি ভেঙে
‘কবিতা থাকো কোথায়?’

চিন্তাস্রোত মগজে মোহন
শব্দকোষের মাঝে পংক্তি খুঁজি আমি
অকস্মাৎ অনুভব করি ছন্দ ভাঙাগড়ার খেলা
‘কবিতা থাকো কোথায়?’

সৃজন অভিনব – রাজকুমার ব্যাধ

নিবিড় বিজনে মন মৌন ছিল একা
রোদেরা তীক্ষ্ণ ; ক্লান্তদুপুরে দেবদারু-বনে বসন্তে ,
পাতা ঝরা গাছে থাকা পাখিদের ছায়াতে স্বপ্ন ঢাকা
ঘুমঘোরে চোখ তার স্বপ্ন ঠিকই পারে চিনতে।

অনুভব সে করে পাখিগাছের ছায়াতে একাকী
অরূপকথা কত দিচ্ছে চমক ভাবের ঘরে
পাথরিয়া পাহাড়ের অশ্রু ওই বুঝি –
তাই তো আজও ঝর্ণা হয়ে ঝরে।

ভাবুকের নীরবতা নয়কো লজ্জানত
নীরবতা বয়ে আনে দিগন্তময় অভিনব সৃজন;
সূক্ষ্ম চিন্তনে মুগ্ধে মুক্তধারা সুনিশ্চিত
পথ দেখায় মগজ-মধ্যে কেউ আছে একজন।

জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত – রাজকুমার ব্যাধ

আমাকে তোরা এনেছিস হারিয়ে দেওয়া মুখের কথা নয়।

যে – সাদা দাঁত বরফের থেকেও কঠিন
হাসিটা মিছরি ছুরির থেকেও নিদয় আরো;
তোমাকে তার ছত্র ছায়াতে থাকতে হবে
এ পরিণতি দীর্ঘস্থায়ী নয়,
কথার ফাঁকে থেকে জাবর চিরদিন কাটে না মন।
প্রাপকের যোগ্যতা বঞ্চিত করে
মাড়িয়ে মাড়িয়ে তাদেরকে পিষে
ধূলার সাথে পারো না মিশিয়ে দিতে।

একঘেয়ে কথা, একঘেয়ে আচরণ,
অন্ধকারময় অনুভূত এক ভূতুরে ভাবমূর্তি জেনো
পথিক তুমি যাকে দয়ালু ভাব
আসলে সে প্রতারক
সে নিজের আত্মীয় স্বজনদের আখের গুছিয়ে দিতে ব্যস্ত!
তার কাছে স্নেহ মমতার আলো ছায়া চাওয়া অনর্থক
রাজনীতি ঘুঘুর বাসাতে পরিণত
আঁশগন্ধে পরিণত হলে
ঝাড়ু মারার প্রয়োজন হয়ে আসে।

ভ্যাপসা গুমোট গরম তাড়াতে নরম সুন্দর বাতাস আসে
গণদেবতা জনসমুদ্র হয়ে ভাসিয়ে দেয় ঘুঘুর বাসা
এ পরিণতির কারণ
আত্মাহমিকা চরম পর্যায়
তাদের অজান্তেই অন্ধকারবাসা
আলোহারা হয়ে জীবনের ভুল সিদ্ধান্ত
সংবাদ হয়ে বেড়িয়ে এলেও
তারা ভাবে সুখ্যাতি প্রচারিত।

মৌনতা যাচে – রাজকুমার ব্যাধ

শূন্য মনে কথা ছিল অনেক
বৃষ্টি জলে, নজরে কেউ কোথা নেই;
কিশমিশের মতন ভালোবাসা জড়িয় আসে
তার অনুভব ভরে থাকে কিশমিশেই।

স্বাদ সে স্বপ্নে একাকী প্রার্থনাগাছ
শব্দের বর্ণনায় শুয়ে আছে
ক্ষত জীবনের ভিতরে শূন্য মন তার
আরো গভীর মৌনতা যাচে।

অদ্ভুত! অদ্ভুত! – রাজকুমার ব্যাধ

সাদা পোষাক পড়া আদর্শবাদীর অন্তরালে থাকা মন
সাদা পোষাক পড়া আদর্শবাদীর অন্তরালে থাকা মনে বিষ
মনের বিষের গভীরতা
সাদা দাঁতের হাসি দেখে কখনও মাপা যায় না

হনুমান করজোড়ে জানিয়ে যাবে প্রণাম
দরিদ্র মানুষ আশায় থেকে ক্লান্ত
দরিদ্র মানুষ ছলনা জানে না

দরিদ্র মানুষের পরাজয় এখানেই

বকধার্মিকের ফাঁদ এড়াবে বল কেমন করে

দুর্দিন এল বলে – রাজকুমার ব্যাধ

শান্তির ঘরে আবার আতঙ্ক আসবে ফিরে
নতুন ক’রে জন্ম নেবে নতুন নতুন ডাকাত
ডাকাত হবে শিক্ষিত যে কতজন
বাপের হোটেল বন্ধ হবে যখন

পরের মেয়ে পড়লে কাঁধে
একটি দু’টি বাচ্চা হলে
অর্থ অত পাবে কোথায়
বাঁচতে হলে আসবে ফিরে
নতুন ক’রে চুরি ডাকাতি আরও কত কী

তোমারা যারা ব্যাঙ্কে রাখো টাকা ভরে
দেখবে তখন প্রাণের ভয়ে
তাদের জন্যে দুই চার লাখ টাকা
ঘরে মজুত ক’রে রাখতে তবে হবেই
ভয় পেয়ো না আসছে এমন দিন

আবার শুয়ে শুয়ে শুনতে পাবে
গভীর রাতে বোমার আওয়াজ
পড়ল ডাকাত কান্না কিসের
পেটের দায়ে করছে ওরা

ভদ্রগুলো করছে চুরি নয়কো পেটের দায়ে
বেকারগুলো করবে চুরি পেটের দায়েই তো
চেয়ে যখন পাবে না
বেচারার দল করবে তখন কী
একটা কিছু করে বাঁচতে তাদের হবেই তো

এখন মানুষ নয়কো অত বোকা
যার বাড়িতে পড়বে ডাকাত
হৈ হুঙ্কার শব্দ দেবে মানুষেই
কেউ যাবে না ছুটে
আগের মতন ডাকাত তাড়াতে
বদলে গেছে সেদিন এদিন কতই।

আমরা যারা বেঁচে আছি – রাজকুমার ব্যাধ

এখনও বেঁচে আছি বলেই
চায়ের দোকানে গল্পে সময় অনেক কাটিয়ে দিই
বাড়ি ফেরার পথে সাধ্যমত থলিতে বাজার
সমস্ত ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে প্রাত্যহিক দিন যাপন
মূলতঃ বেঁচে আছি বলেই শব্দরা মগজে কিলবিল
বোধের কোণে চাপা থাকা শব্দের উঁকি
সহজ কথায় জটিল জিজ্ঞাসা চিহ্ন শব্দেরই
হে বন্ধু তুমি বেঁচে থাকার জন্য কার কাছে ঋণী থাকতে চাও
মগজাস্ত্রে শান দিয়ে বেড়িয়ে আসে উত্তর এক
সীমান্তে জেগে থাকা আমাদের জওয়ানদের কাছে
শত্রুদের বুলেটের কাছে মাথা নত করতে শিখিনি
সীমান্তে জীবন উৎসর্গ হয় আজও
বেঁচে আছি বলেই এখানেই আমার ভাবনার অস্তিত্ব

অনিন্দ্যসুন্দর – রাজকুমার ব্যাধ

চলে আসে মেঘ ও বিদ্যুতের চমক
রাতের থমথমে পরিবেশ
তার মাঝে মা ফুলগাছেরা ফুল ফোটায়
জোনাক-জোনাকিরা আঁধারে
আলোর চমক সাজায়
বৃষ্টির পায়ে ঘুঙুরের শব্দ যেন।

বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে
ঝিঁঝিঁদের একটানা কর্কশ কন্ঠসংগীত
অনিন্দ্যসুন্দরে।

রাজনীতি নেই নেতা-নীতি আছে – রাজকুমার ব্যাধ

তুমি বললে
এ দেশে রাজনীতি নেই
ওরা দেশের নেতা-নীতি করে

পরে তুমি ওকে সমর্থন করলে

তোমার মত আমিও চিন্তা করি
যাকে কোনদিন নেতা ভাবিনি
সেও নেতা হবার সুযোগ পেয়ে যায়
আজকের দিনে রাজনীতি নেই
নেতা-নীতি চলছে বহাল তবিয়তে
অসহ্য লুঠেরাদের আমদানি
ক্রমশঃ ভদ্রশোষণের হিংস্রতা বেড়েছে
তুমি প্রতিবাদ করতে শেখোনি
মূর্খ ভাববেই ওরা
অদ্ভুত নেতা-নীতির দাপটের কাছে
তুমি একদম শিশু

কবিতা দিবসের কবিতা কথা – রাজকুমার ব্যাধ

নীলিমার ঠোঁটের ‘পর চুম্বন রাখি
তার মন আমার দিকে তাকিয়ে হেসে যায়
আমার বোধ চিন্তা করলে
সুদূর মরুভূমি মনোভঙ্গ করে
ওই উদিত কমলা চাঁদ যেন
অনুভূতি উল্লেখযোগ্য হবার অন্তরালে
কল্প রহস্য লাবণ্যময়ী হয়ে থাকে।

প্রতিটি অনুভূতি উল্লেখযোগ্য
আকাঙ্ক্ষিত মন ভাবনায়
দ্রুত দেশান্তরে যায়
সম্মুখে নীলিমার দুর্লভ প্রেমের কথা
মনোষ্ঠকে স্পর্শ করে যায়
তাকে আর আমাকে পাহারা দেয় রাত্রি
আর জন্ম নেয় নতুন নতুন স্বপ্ন।

যদিও মন, মন তো
কখনও ভাবে কথা অন্য
কত শত জনম কাটিয়ে
পেয়েছি মানুষ জীবন –
সে কথা কি রাখে মনে
মানুষের মন?

আনন্দের গান – রাজকুমার ব্যাধ

অনিন্দ্যসুন্দর নদী তরঙ্গ রাগে –
বসন্ত কাননে কোকিল মত্ত গানে;
ফুলের কোলে ভৃঙ্গের আনন্দ জাগে
তিতলির পিছু নেয় কিশোর প্রাণে।

পলাশ শিমুলের কুঁড়িগুলি লাল হয়ে ওঠে,
ফুলের মধু খেতে কত পাখি জোটে,
রোদভরা দুপুরে কূজন ভাল লাগে বটে,
মৌমাছির নজর থাকে শুধু ফুলের পানে।

বাতাসে বাঁশের পাতা কাঁপে থর্ থর্
মাঝিভাই গলা ছেড়ে গান গায় ভাঁটিয়ালি;
আকাশে ওড়ে শঙ্খ চিল সুন্দর
আজ আকাশের হৃদয় দেখি না খালি।

ভাল লাগে রাতেরবেলায় চাঁদের আলো
সার্থক আমারা সকলে প্রকৃতির মহাদানে;
বাংলার মাটিতে জনম নিয়ে ধন্য মাগো
মাতৃভাষা বাংলাভাষা রইল জীবন-মরণে।

যেন রূপকথা – রাজকুমার ব্যাধ

বসন্তে পাতা ঝরছে আবার
নতুন পাতা গজিয়ে ওঠে
আকাশভরা রোদের চমক
ছুঁয়ে কচি পাতার ঠোঁটে।

বাতাস বেশ ঢেউ খেলে যায়
আপনমনে নদীর জলে
মনের সুখে বনের কোকিল
আবেশে গান গেয়ে চলে।

ফুলের ঘ্রাণে মাতোয়ারা
মৌমাছিমন দলে দলে
অনিন্দ্যসুন্দরে ভোমরা ওই
দোলে নন্দে ফুলের কোলে।

শিশুদল প্রজাপতি দেখে
হাসে কত খুশিতে
রূপকথার পরী উড়ে যায়
ওই বেশ শোভিতে।

অমৃত মানে কোনো খাদ্য বস্তু নয় – রাজকুমার ব্যাধ

আদৌ কি শিয়ালকে পণ্ডিত বলা হয়
নাকি শিয়ালের আগে মানুষ কথাটি উহ্য
হয়তো হয়তো হয়তো হয়তো
এভাবেই চলে আসে নৈতিকতা

ব দেশের রাজা সিংহ বড়ই নীতি পরায়ণ
তিনি প্রজাদের প্রতি খুবই সহৃদয়বান ছিলেন
প্রতিবেশী রাজা ব্রাঘ্যের সাথে ভীষণ যুদ্ধ হয়
রাজা সিংহ রাজ্য জয় করলেন ঠিকই
কিন্তু হলেন মারাত্মক ক্ষত-বিক্ষত

বৈদ্যরাজ ভাল্লুক মহাশয় মহারাজ সিংহকে দেখে
চিন্তিত হয়ে পড়লেন মহারাজকে বাঁচাবেন কিভাবে
শিয়াল পন্ডিত ভাল্লুককে জিজ্ঞেস করেন
বৈদ্যরাজ মহারাজ মৃত না অমৃত

বৈদ্যরাজ ব্যাকুল হয়ে বলেন
মৃত ভাষা বুঝলাম অমৃত মানে সুধা
সে জিনিস কোথা পাব বলেন

শিয়াল হেসে হেসেই বলেন
একেই বলে মূর্খ কাকে বলে
আমি জিজ্ঞেস করলাম মৃত না অমৃত
মৃত মানে শেষ আর অমৃত মানে
যিনি মৃত নন তাকেই অমৃত বলে
আর তুমি যে অমৃত ভাবছ
বাস্তবে অমৃত নামে কোনো খাদ্য বস্তু নেই
ওটা রূপকথা কাল্পনিক যার কোনো সত্যতা নেই
সুধা যাকে বলছ মূলতঃ হতে পারে মাতৃ দগ্ধ
কিম্বা মুখের মনোমুগ্ধ ভাষা
হতে পারে কবির অপরূপ কাব্যসৃষ্টি
হতে পারে সাহিত্যিকের অমৃত গল্পকথা উপন্যাস

মানুষ অমৃত হয় সুকর্মে
সুকর্ম ছড়িয়ে পড়লে দেবত্ব হয়
দেবত্বভাব অর্জন করলে
মনুষ্যত্বের জয় নিখুঁত রয়
আর এভাবেই মানুষই মানুষকে অমৃত করে রাখে
অমৃত শব্দের গুরুত্ব গভীর

বোধের গভীরে – রাজকুমার ব্যাধ

চিন্তার শেষ নেই, শব্দ তাই বোধের গভীরে
বসে আছে অরূপ শোভনে। শব্দরা
কখনও শিশু, কখনও বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা
কখনও বা যুবক ও যুবতী।
শব্দের জগতে বীজের উৎস আছে। শব্দেরা থেমে থাকে না
কথার পাহাড় এখন।
কবিতা হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যায় যখন
হয়ে যাওয়া কবিতা শরীরকে
ইচ্ছেমতো ভেঙে পূর্বরূপে রূপ দেওয়া কখনোই সম্ভব নয়।

নদীর মুখ বেঁধে দিতে পারলেও
হয়ে যাওয়া কবিতা মুখ বাঁধা যায় না
সেখানে থাকে শব্দের জোয়ার প্রেরণাময়।
বন্দুকের গুলির শব্দে
রাত্রির বন বাদাড়ে থাকা ঝিঁঝিঁর ডাক স্তব্ধ হয় না
ঝিঁঝিঁ একটানা কর্কশ সঙ্গীত গেয়ে যাবেই।

নির্বাক হতে হয় শব্দের টুকরো কঠিন হয় যখন
কবিতা কোথায় থাকে – নেই দেখা।

রাজকুমার ব্যাধ | Rajkumar Byadh

Padma besha | পদ্ম বেশ | অভিজিৎ পাল

Gaja-Uddharana besha | গজ-উদ্ধারণ বেশ | অভিজিৎ পাল

Inspector | ইন্সপেক্টর | New Bengali Story 2023

Poila Baisakh 1430 | স্মরণে-বরণে ১লা বৈশাখ

Shabdodweep Web Magazine | High Challenger | Shabdodweep Founder | Sabuj Basinda | Bengali Poetry | Bangla kobita | Bengali Poetry Analysis 2023 | Poetry Collection | Book Fair 2024 | bengali poetry | bengali poetry books | Bengali Poetry Analysis pdf | Bengali Poem Lines for Caption | bangla kobita | poetry collection books | poetry collections for beginners | poetry collection online | poetry collection in urdu | Bengali Poetry Analysis Ebook | poetry collection clothing | new poetry | new poetry 2023 | new poetry in hindi | new poetry in english | new poetry books | new poetry sad | new poems | new poems in english | new poems in hindi

Bengali Poem Lines for Caption in pdf | new poems in urdu | bangla poets | indian poetry | indian poetry in english | indian poetry in urdu | indian poems | indian poems about life | indian poems about love | indian poems about death | Best Bengali Poetry Folder | Best Bengali Poetry Folder 2023 | story writing competition india | story competition | poetry competition | poetry competitions australia 2023 | poetry competitions uk | poetry competitions for students | poetry competitions ireland | Bengali Poem Lines for Caption crossword | writing competition | writing competition malaysia | Bengali Poem Lines for Caption in mp3 | writing competition hong kong | writing competition game | Best Bengali Poetry Folder pdf

Trending Bengali Poetry Analysis | Bengali Poetry Analysis – video | Shabdodweep Writer | bee poem | poem about self love | story poem | poetry angel | narrative poetry examples | poetry reading near me | prose poetry examples | elegy poem | poetry reading | poetry websites | protest poetry | prayer poem | emotional poetry | spoken word poetry | poem about god | percy shelley poems | jane hirshfield | spiritual poems | graveyard poets | chapbook | poems about life | poems to read | English Literature | Bengali Poetry Analysis examples | poems about life and love | elizabeth bishop poems | poems about women | sister poems that make you cry | famous quotes from literature and poetry | mothers day poems from daughter | poem about community | Bengali Poetry Analysis Ranking | positive Best Bangla Kobita Collection

Bengali Poem Lines for Caption about life struggles | toni morrison poems | good bones poem | google poem | funny poems for adults | inspirational poems about life | friendship poem in english | paul laurence dunbar poems | freedom poem | sad poetry about life | freedom poem | sad poetry about life | Natun Bangla Kabita 2023 | Kobita Bangla Lyrics 2023 book | New Bengali Poetry Analysis | Writer – Bengali Poetry Analysis | Top Writer – Natun Bangla Kabita 2023 | Top poet – Natun Bangla Kabita 2023 | Poet list – Kobita Bangla Lyrics 2023 | Archive – Bengali Poetry Analysis | Bangla Full Kobita | Online Full Kobita Bangla 2023 | Full Bangla Kobita PDF | New Bangla Kabita Collection | Shabdodweep Online Poetry Story | Poetry Video Collection | Audio Poetry Collection | Bangla Kobitar Collection in mp3

Bangla Kobitar collection in pdf | Indian Bengali poetry store | Bangla Kobita Archive | All best bengali poetry | Indian Bengali Poetry Analysis | Best Poems of Modern Bengali Poets | Best Collection of Bengali Poetry in pdf | Bengali Poetry Libray in pdf | Autograph of Bengali Poetry | India’s Best Bengali Writer | Shabdodweep Full Bengali Poetry Book | Bengali Poetry Book in Google Bookstore | Google Bengali Poetry Book | Shabdodweep World Web Magazine | Shabdodweep International Magazine | Top Poems of Modern Bengali Poets | Bangla Kobita in Live | Live collection Bengali Poetry | Bengali Poetry Recitation Studio | Sabuj Basinda Studio for Bengali Poetry | Bangla Kobita Sankalan 2023 | Shabdodweep Kabita Sankalan

New Bengali Poetry Memory | History of Bengali Poetry | History of Bangla Kobita | Documentary film of Bengali Poetry | Youtube Poetry Video | Best Bangla Kobitar Live Video | Live Video Shabdodweep | Bengali to English Poetry | English to Bengali Poetry | Bengali Literature | Full Bengali Life of Poetry | Bangla Kobita Ghar | Online Live Bangla Kobita | New Bengali Poetry House | Full Bengali Poetry Collections PDF | Library of Bangla Kobita | Bengali Poetry and Story | Bengali Poetry Writing Competition | World Record of Bengali Poetry Writing | Peaceful Poetry | Online Bengali Poetry Analysis Selection | Bengali Poetry Analysis in english | Bengali Poetry Analysis funny | All Poetry in Bengali for instagram | romantic bengali poem lines | bengali short poem lyrics | bengali kobita caption for fb dp

Leave a Comment