...

New Bengali Novel 2023 | খুঁজে ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৮) | উপন্যাস

Sharing Is Caring:
BENGALI NOVEL
Bengali Novel

খুঁজে ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৮) [Bengali Novel]

শঙ্খ যখন বুঝলো স্বাতী ঘর ছেড়ে কোথাও বেরিয়েছে। তখন বেশ বেলা হয়েছে। ছেলে- মেয়ে মা’র জন্য কিছুটা উদ্বিগ্ন। শঙ্খ কেমন যেন দিশেহারা। সে এই মুহূর্তে কি করবে চিন্তা করে কুলিয়ে উঠতে পারছিল না। বুঝে উঠতে পারছে না তার কি করনীয়। ছেলে- মেয়ে ক্রমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে মার জন্য। মা ছাড়া যাদের মুহূর্ত কাটে না। তারা জানে না এখন মা কোথায়। কখন আসবে। সকালের জল খাবার জোটেনি এখনো। শঙ্খ ছেলে- মেয়ের উদ্বিগ্নতা কাটালো মিথ্যে সাজানো কথার চাকুরিতে।

– তোর মা সেই ভোরবেলা বেরিয়েছে, তোর দিম্মার শরীর খারাপ। তাই তো যেতেই হলো। কাল চলে আসবে।
কিছুটা উদ্বিগ্নতা কাটলেও মেয়েটা বললে, – দিম্মা তো ভালো ছিলো আমরা যেদিন গেছিলাম।তাহলে শরীর খারাপ করলো কেন ?

শরীর খারাপের কথা বলা যায় ? তাছাড়া আমি না থাকলে তোমরা তো মার কাছে থাকো। মা নেই তো কি হলো, আমি তো আছি তোমাদের অসুবিধা কোথায় ?
দোকানের আনা খাবারে আপাতত ক্ষুন্নিবৃত্তি হলো। আপাত শান্ত হলেও মনের মধ্যে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ শঙ্খ কে বারবার কেমন অন্যমনস্ক করে দিচ্ছে। পরিস্থিতি কিভাবে সামলাবে, ভেবে আকুল হচ্ছে বারে বারে। স্বাতী তাহলে কোথায় গেলো ? বাবা-মার কাছে ? বেলেঘাটায় ! কোন পরিচিত আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি ? কিন্তু কিছুই তো সঙ্গে নিয়ে যায়নি। তাহলে কি ! একটা দীর্ঘশ্বাস পড়লো শঙ্খর। ভয়ে কিছুটা কেঁপে উঠলো। যদি কিছু করে বসে রাগের মাথায়। যদি কোন নোট লিখে রাখে। সেটা অবশ্যই তার বিরুদ্ধেই কাজ দেবে। তখন ? শঙ্খ লোকাল ভবানীপুর থানায় গেলো। বড়বাবুকে জানালো ছোট্ট কাহিনী। গতকাল রাতে পারিবারিক একটা ব্যাপারে স্বামী-স্ত্রী একটু কথা কাটাকাটি- ঝগড়া হয়েছিলো। বিষয়টা নিতান্তই আর্থিক- তো সেটা থেকে মানসিক বিপর্যয় কাটাতে না পেরে, আমার স্ত্রী স্বাতী লেখা মিত্র সকালে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। অবশ্য কিছু নিয়েও যায়নি। কিছু লিখে রেখেও যায়নি। এখন ছেলে- মেয়ে নিয়ে আমি কিছুটা উদ্বিগ্ন। এভাবে চলে যাওয়াটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। ফিরে আসবে কিনা তা কিছুই বুঝতে পারছি না।

তাই আইনি পথে ” নিখোঁজ ডায়েরি ” করাটা দায়িত্ব বলে মনে করলাম। একটা ছবিও নিয়ে এসেছি, যদি আপনাদের সাহায্যে সমস্যার সমাধান পাই। বিষয়টা ভেবে আমার খুব ভয়ও করছে। যদি রাগের বশে কোথাও সুইসাইড করে বসে, ছেলে-মেয়ে নিয়ে আমি কিছুটা দিশাহারা। আমি তো ডিফেন্স কর্মী। বাচ্চাদের যে কোথায় রাখবো, কিভাবে কাজে যোগ দেবো- ভেবে পাচ্ছিনা । কথা শেষ করে নিজের আই কার্ডখানা বড়বাবুর সামনে রাখলো। বড়বাবু নজর বোঝালেন। শেষে বললেন, – ঠিক আছে মিসিং ডায়েরি করে যান। ছবিসহ মিসিং বিজ্ঞাপনের টাকা জমা দিন। আমরা চেষ্টা করবো।

– অতি সহজে আইনি একটা পথ তৈরি করে, কিছুটা হালকা শঙ্খ। দ্বিতীয় দফায় কাজটা শুরু করতে হবে। বাড়ি ফিরে নিজেই রান্নার আয়োজনে বসলো। রান্না করাটা অভ্যাসের মধ্যেই আছে। বাইরে মেসে থাকতে অনেক সময় রান্না করে খেতে হতো। অতএব এ কাজে কোন রকম অসুবিধা নেই তার। ছেলে-মেয়েদের রান্না করে খাওয়াতে পারবে। কিন্তু এটাই তো সব নয়। একটা বাচ্চার কাছে মায়ের স্নেহ। মায়ের পরিচর্যা। মায়ের বুকে মুখ লুকিয়ে শরীরের ঘ্রাণ না পেলে ঘুম যে আসেনা। এর কোন বিকল্প নেই। তাইতো পৃথিবীতে সকলের কাছেই মায়ের কোন বিকল্প হয় না। হতে পারে না। হওয়া সম্ভব নয়। আর হওয়ানোও সম্ভব নয়। সেটাই এখন শঙ্খ কিভাবে পূরণ করবে। আজকের এই পরিস্থিতির জন্য তাহলে কে দায়ী শঙ্খ না স্বাতী।

স্বাতীর আজকের বাড়ি ছেড়ে যাওয়া, সেটা কি স্বাতীর একঘেয়েমি মনোবৃত্তি না শঙ্খর সাংসারিক শাসন ছেড়ে পালানোর একটু ফন্দি। নাকি শঙ্খর বিভিন্ন লালসা চরিতার্থ করার বাসনা পূরণ করতে পারেনি বলে বাধ্য হয়েছে ঘর ছাড়তে। অন্যায়ের ফাঁসের দোলাটা শঙ্খর সামনে দোল খেতে থাকে।
বেলা যতো বাড়তে থাকে- উদ্বিগ্নতা বাড়তে থাকে ততোধিক। মনের আগুনে পুড়তে থাকে শঙ্খ। স্বাতী যদি লম্পটটাকে ছাড়াতে চলে যায় ।আসল সত্যটা যদি প্রকাশ পায়। তাহলে স্বাতী কি করবে ? সে কি সত্য প্রকাশ করে ওই মানুষটাকে অন্যায়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে- আবার ফিরে আসবে। ওর মুখোমুখি কিভাবে পরিস্থিতি সামলাবে ? কিলবিলিয়ে সামনে জড়ো হতে থাকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন। শত প্রশ্নের জালে শঙ্খ কেমন জড়াতে থাকে, দুর্বলতা গুলো ক্রমশ তাকে দুর্বল করতে থাকে।

রান্না সামলে খাবার প্রস্তুতি নিলেও ছেলে-মেয়ের কাছে, মা কোথায়- কখন আসবে ? এ জাতীয় প্রশ্নের সঠিক জবাবের প্রস্তুতিটা ঠিকঠাক করে উঠতে পারছে না শঙ্খ। যত উত্তর তৈরি করছে, ছেলে- মেয়ের উদ্বিগ্নতা ততটাই বেড়েছে। বেড়েছে আরো প্রশ্নের বহর। কান্নাকাটি।

— আমি তো বলছি। চান করে খেয়ে নাও । মা যদি বিকালে- সন্ধ্যের মধ্যে না আসে, আমরাই যাবো। শঙ্খ মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে ভোলানোর চেষ্টা করতে থাকে।

— মা তো, আমাকে রেখে কোনদিন একা যায় না। আজ তাহলে একা একা কেন গেলো। অভিমানে আঁতকে আঁতকে বুক ঠেলে কান্না বেরোতে চাইছে।

— তুমি তো ঘুমাচ্ছিলে তখন । তোমাকে ডেকে তুলে রেডি করে, বেরোলে নির্ঘাত গাড়ি পেত না। শঙ্খের উত্তর কেমন যেন মন হালকা হলো মেয়ের।

শুভ্র- অভ্র কিছুটা হতাশ। মা এভাবে কিছু না বলেই চলে গেলো। ভাবনা টা তাদের বড় অস্বস্তি দিচ্ছে। মা তো, এভাবে কোথাও যায় না। তবে কিভাবে দিদার কাছে একা একা গেলো। যদি দিদার শরীর খারাপই হয় দু-একদিনের মধ্যে ফিরে আসবে, সম্ভব নয়। তাহলে বোনকে নিয়ে যেতে পারতো। ও তো মাকে ছাড়া থাকতে পারে না।

সকলের চান সারা হলো। খাওয়া হলো। কিন্তু সবকিছুর মাঝে কেমন যেন একটা বিষন্নতা রয়ে গেছে। ছেলে- মেয়ে ঘরের মধ্যে চুপচাপ বসে। শুয়ে আছে খাটের উপর শঙ্খ । তারও ঘুম আসছে না। অভ্র টিভির নবটা ঘোরালো। বোনকে কাছে টেনে নিলো শুভ্র। চোখের জল মোছালে পাশে থাকা তোয়ালে দিয়ে। টিভির পর্দায় চোখ রাখলো ভাই বোনে। সময়টা যখন সন্ধ্যা গড়িয়ে পড়ে, মায়ের কথা বেশি করে মনে পড়ছে। মেয়ের কান্না আরো বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। শঙ্খ আর বোঝানোর কোন শব্দ খুঁজে পায় না। মাথায় হাত রেখে মেয়েকে বলে,- চুপ করো। আমি ফোন করে বলছি তোর দিদাকে। কাল সকালেই যেন তোর মা চলে আসে।

– সকাল থেকে তুমি ফোন করলে না কেন তবে? মেয়ের কান্নার আওয়াজ শব্দ হয়ে ঝরে পড়ে মুখ থেকে।

সন্ধেবেলা চলে আসবে বলেছিলো তো। তাই ফোন করিনি। আমার মনে হয়েছে, গাড়ি পায়নি হয়তো । শঙ্খ যেন গল্প বলার ঢঙে কথাগুলো বললো। দীর্ঘ নীরবতা ভঙ্গ করে শুভ্র বললে, – মা রাগ করে চলে যায়নি তো ?

কেন, রাগ করে চলে যাবে কেন। শঙ্খের ছেলের প্রশ্নে বুক কেঁপে গেলেও পাল্টা প্রশ্ন করলে সঙ্গে সঙ্গে।

মা’র সঙ্গে যেভাবে ঝগড়া করো। বাচ্চা মনটা মায়ের কষ্টের মুখের ছবি দেখতে পাচ্ছিল যেন।
ফ্যাকাসে মুখটা কোনরকমে লুকানো চেষ্টা করলো শঙ্খ। যেন আনমনা হয়ে বললে, – দুশ ঝগড়া করবো কেন। ভুল বুঝেছিস তুই। যাও এবার পড়তে বসো গিয়ে।
ক্লাস এইটে পড়া শুভ্র হঠাৎ কেমন শক্ত হয়ে উঠলো, তুমি মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করো। আমি শুনেছি, মাকে একদিন খুব মেরেছিলে তুমি।

কি বাজে কথা বলছিস তুই ? হঠাৎ ছেলের প্রতিবাদী ভাষায় কিছুটা বিহ্বল শঙ্খ। বড়দের ব্যাপারে কান দেয়া উচিত নয় তোমার। সে বয়স তোমার হয়নি।

মা সে দিন সকালে বোনকে নিয়ে ফিরেছিলো, তুমি মা’র সঙ্গে ঝগড়া করেছিলে, মেরে ছিলে, মা অনেক কষ্ট পায়। মায়ের মুখ দেখে আমি বুঝতে পারি। বাবার মুখোমুখি কথা বলতে গিয়ে ঝরঝর করে কেঁদে ফেললো শুভ্র। অভ্র যেন কিছু বুঝল- কিছু বুঝলো না। দাদার মুখের দিকে অপলক তাকিয়ে ছিলো। দাদার প্রতিবাদী কথা হয়তো বা সমর্থন করলো, মুখে কিছু বলতে পারলো না। দাদার কান্নার মুহূর্তে নিজেও চোখের জল ধরে রাখতে পারলো না। দাদার হাতটা ধরে টেনে নিজেদের ঘরে ঢুকে পড়লো।
শঙ্খ আজ বড় অসহায়। জীবনে এমন সময় কোন কালে এসেছিলো কিনা মনে পড়ে না । চিরটা কাল নিজের দাপট সংসারে প্রয়োগ করে এসেছে। প্রতিবাদ শব্দটা প্রবল ভাবে আছড়ে পড়তে পারে ভাবনার অতীত ছিল তার কাছে। স্বাতীর কোনদিন প্রতিবাদী ভাষা ছিলো না । কর্তব্য পালনে বদ্ধপরিকর ছিলো তার জীবন। এক কথায় আজ্ঞাবহ দাসীর মতো শঙ্খ তাকে বারবার ব্যবহার করেছে।

কোনদিন হুকুম পালনে দ্বিধা করেনি। নিজের লোভ- লালসা চরিতার্থ করার জন্য স্বাতীকে দিয়ে বার বার অর্থ- জিনিসপত্র হাতিয়েছে। শ্বশুর বাড়ি থেকে সরল সাদাসিধে মনের বাবার কাছে চেয়ে নিতে একমাত্র মেয়েরও তাই কোন দ্বন্দ্ব ছিলো না। সুযোগ বুঝে চাওয়াতে শঙ্খ ছিলো বে-শরম, বে-লাগাম। কোন কোনটা ছিল না এমন ভাবে হাত পাততে। অথচ নিজের চাকরির উপার্জন যথেষ্ট ভালো। বিষয় বৈভবে নিজেই ভরাতে পারে নিজের ঘরবাড়ি। অভাব ছিলো না অর্থের জোগানের। অভাব ছিলো নিজের স্বভাবের। নিজের বিবেকের।

শঙ্খ হঠাৎ কেমন যেন ম্রিয়মাণ। ছেলের প্রতিবাদী মানসিকতায় নিজের বিবেক আজ ধাক্কা খেয়েছে। মেয়েকে নিয়ে নিজের ঘরে বসে। শাসনের রাশ কি আজ আলগা হতে চলেছে ? বাস্তব জীবনে রাইফেল হাতে প্রতিপক্ষকে বারবার শাসন করা মানুষ। সংসার জীবনে কোন কথার অবাধ্যতা। যা কোন সময় সহ্য করত না। সেই মানুষটা এক মুহূর্তে স্তব্ধ- নিরাশ-হতাশ। কিভাবে ছেলে মেয়ে নিয়ে দিন কাটাবে ? সামনের মাসে ছুটি শেষ হবে। সকলকে রেখে চলে যেতে হবে। কার ভরসায় থাকবে ছেলে- মেয়ে ? কে দেখবে ওদের ? কিছুটা দিশেহারা শঙ্খ। আজ কেমন অ-সহায় শঙ্খ।

জয়নাল আবেদিন | Joynal Abedin

New Bengali Novel 2022 | ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৪) | উপন্যাস

New Bengali Novel 2022 | ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৫) | উপন্যাস

New Bengali Novel 2022 | ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৬) | উপন্যাস

Bengali Novel 2023 | ফিরি বিশল্যকরণী (পর্ব ৭) | উপন্যাস

খুঁজে ফিরি বিশল্যকরণী | বিশল্যকরণী | বিশল্যকরণী | রামায়নের বিশল্যকরনী | বিশল্যকরণী গাছের উপকারিতা | লাল বিশল্যকরণী | মৃতসঞ্জীবনী গাছ | বিশল্যকরণী গাছের গুনাগুন | মৃত সঞ্জীবনী গাছের উপকারিতা | বিশল্যকরণী গাছের বিজ্ঞানসম্মত নাম | বিশল্যকরণী কী | বাঁচানো হোক বিশল্যকরণী | শব্দদ্বীপের লেখক | শব্দদ্বীপ | সেরা বাংলা গল্প | গল্প ও গল্পকার | সেরা সাহিত্যিক | সেরা গল্পকার ২০২২ | বাংলা বিশ্ব গল্প | বাংলা গল্প ২০২২ | বাংলা ম্যাগাজিন | ম্যাগাজিন পত্রিকা | শব্দদ্বীপ ম্যাগাজিন

Bisholyokoroni | bengali novel | indian poetry | indian poetry in english | indian poetry in urdu | indian poems | indian poems about life | indian poems about love | indian poems about death | bengali story | bengali story books for child pdf | bengali novel for adults | bengali story books | bengali story books for child | bengali novel pdf | bengali story for kids | bengali novel reading | short story | bengali novel analysis | bengali novel characteristics | bengali novel competition | short story definition | short story english | short story for kids | short story generator | short story ideas | bengali novel length | long story short | bengali novel meaning | long story | long story instagram | story writing competition | story writing competition topics | story writing competition for students | story writing competition malayalam | bengali novel competition india | story competition | writing competition | writing competition malaysia | writing competition london | writing competition hong kong | writing competition game | writing competition essay | writing competition australia | writing competition prizes | writing competition for students | writing competition 2022 | writing competitions nz | writing competitions ireland | writing competitions in africa 2022 | writing competitions for high school students | writing competitions for teens | writing competitions australia 2022 | writing cmpetitions 2022 | writing competitions uk | bengali novel writing | bangla news article | bangla article rewriter | article writing | bengali novel ai | bengali novel app | article writing book | bengali novel bot | bengali novel description | bengali novel example | article writing examples for students | article writing for class 8 | article writing for class 9 | bengali novel format | bengali novel generator | article writing global warming | article writing igcse | article writing in english | article writing jobs | article writing jobs for students | article writing jobs work from home | article writing lesson plan | bengali novel on child labour | article writing on global warming | article writing pdf | bengali novel practice | article writing topics | trending topics for article writing 2022 | what is article writing | bengali novel trends 2023 | bengali novel topics 2023 | Shabdodweep Writer | Shabdodweep | Shabdodweep Founder

Leave a Comment

Seraphinite AcceleratorOptimized by Seraphinite Accelerator
Turns on site high speed to be attractive for people and search engines.