Monday, September 5, 2022

বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দিরের ইতিকথা - অনির্বাণ সাহা | 108 Shiva Mandir - Bardhaman | প্রবন্ধ ২০২২ | Article 2022

anirban saha

[সেরা বাংলা প্রবন্ধ ২০২২]

[২য় সেরা]

[সেপ্টেম্বর ১ম সংখ্যা] [পঠন / দর্শন সংখ্যার ভিত্তিতে বিচার]

বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দিরের ইতিকথা | 108 Shiva Mandir - Bardhaman

- অনির্বাণ সাহা


প্রতিষ্ঠা বর্ষ: -

১৭৮৮ সালে নির্মাণ কার্য শুরু হয়। দুই বছর পর অর্থাৎ ১৭৯০ সালে নির্মাণ কার্য সম্পূর্ণ হয় ও মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়।

প্রতিষ্ঠাতা: -

বর্ধমান রাজ পরিবারের তৎকালীন রাজমহিষী বা রাজা তিলকচাঁদের পত্নী এবং তেজচাঁদের জননী মহারাণী বিষ্ণুকুমারী দেবী।

ঠিকানা: -

নবাবহাট, বর্ধমান।

পথনির্দেশ: -

কলকাতা / হাওড়া / শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে বর্ধমান রেল ষ্টেশনে নেমে সেখান থেকে বাসে (দুর্গাপুরগামী) চৌরাস্তার মোড় স্টপেজে নামতে হবে। এবার পায়ে হেঁটে ( টোটো ও পাওয়া যায়) সিউড়িগামী রাস্তায় একটু এগোলেই আগেকার মহবৎপুর / তালিকগড় এর নিকট নবাবহাটে এই ১০৮ শিবমন্দির অবস্থিত।

অধিষ্ঠাত্রী দেব / দেবী: -


১০৮ শিব মন্দির বলা হলেও এখানে প্রকৃতপক্ষে ১০৯ টি মন্দির রয়েছে। প্রতি মন্দিরেই কালো কষ্টি পাথরের শিবলিঙ্গ। নীরদবরণ সরকার কর্তৃক লিখিত "বর্ধমান ১০৮ শিবমন্দির" বই থেকে জানা যায় যে, "সংবাদ বর্ধমানের" ১২ই আশ্বিন, ১২৫৭ সনের সংখ্যায় এই ১০৯টি শিব লিঙ্গের নাম প্রকাশিত হয়। সেগুলি হল নিম্নরূপ: -

১) স্থাণু ২) উগ্র ৩) মহাকাল 8) বিভু ৫) মহেশ্বর ৬) শিব ৭) শূল ৮) শূলপাণি ৯) রুদ্ৰ দিগম্বর ১০) মহারুদ্র ১১) পরমেশ ১২) বারানসীপতি ১৩) আদিনাথ ১8) সদাশিব ১৫) শ্রীবিশ্বপতি ১৬) চন্দ্রচূড় ১৭) বামলিঙ্গ ১৮) কপিলিঙ্গেশ্বর ১৯) সিদ্ধিনাথ ২০) কৃপানাথ ২১) শ্রীতারকেশ্বর ২২) বিষধজ ২৩) নাগেশ্বর ২8) কেশব ২৫) বিভূতি ২৬) শ্রীকপর্দী ২৭)| জটি ২৮) শম্ভু ২৯) শ্রীপ্ৰমথপতি ৩০) কৃপানাথ ৩১) পাপহারী  ৩২) বিঘ্ন বিনাশক ৩৩) ভোজনাথ ৩৪) বক্রেশ্বর ৩৫) যোগী জনার্দন ৩৬) হরিহর ৩৭) জগৎগুরু ৩৮) কুবের ঈশ্বর ৩৯) ভূতনাথ 8০) চক্ৰেশ্বর 8১) শ্রীরাবণেশ্বর 8২) জগন্নাথ ৪৩) জলেশ্বর 88) লক্ষ্মীকান্তেশ্বর 8৫) বিশ্বপতি ৪৬) জ্ঞানেশ্বর 8৭) শ্রীঘণ্টেশ্বর 8৮) উমাপতি ৪৯) শিবপ্ৰিয় ৫০) শ্রীবাসুকীপতি ৫১) রমাপতি ৫২) বিশ্বপতি ৫৩) অগতির গতি ৫8) যদুনাথ ৫৫) পরেশনাথ ৫৬) পুষ্পদন্তেশ্বর ৫৭) লক্ষ্মীকান্ত ৫৮) শিবকান্ত ৫৯) যদুকালেশ্বর ৬০) তিলভান্ডারেশ্বর ৬১) যোগীবরণপতি ৬২) নাগভট্ট ৬৩) নাদরূপী ৬8) নীলকন্ঠেশ্বর ৬৫) চতুৰ্ভুজ ৬৬) ত্ৰিলোচন ৬৭) রাজ রাজেশ্বর ৬৮) মৃত্যুঞ্জয় ৬৯) কাশীনাথ ৭০) শ্রীপঞ্চবদন ৭১) মদন ৭২) অন্তকদন্ডী ৭৩) ভূজঙ্গ ভূষণ ৭8) আশুতোষ ৭৫) তিলকবিজয়ী ৭৬) জনার্দন ৭৭) সনাতন ৭৮) সভার্ণব জয়ঈ ৭৯) বিশ্বকর্তা ৮০) গুরুশ্রী ৮১) পরমগুরণ ৮২) চক্রী ৮৩) চন্দ্রনাথল ৮৪) পরাৎপর ৮৫) গুরুধ্বনি ৮৬) পুষ্পদন্তনান্ম ৮৭) এ্যশ্বক ৮৮) ঈশান ৮৯) বদ্রী ৯০) শ্রীরুদ্র মুরতি ৯১) মহাবিষ্ণু ৯২) শেখর ৯৩) শ্রী ভৈরবপতি ৯8) কালেশ্বর ৯৫) গঙ্গাধর ৯৬) শশাঙ্গ শেখর ৯৭) পার্ব্বতীপতি ৯৮) প্রাণবল্লভ ৯৯) কপিরাজনাথ ১০০) মদন অরি ১০১) শুর অরি ১০২) রক্ষ যজ্ঞেশ্বর ১০৩) সোমনাথ ১০8) তীব্রতবা ১০৫) জ্যোতি কুলধন ১০৬) বিশ্বগ্রাসী ১০৭) সর্ব্বগ্রাসী ১০৮) সত্যানন্দনাথ ১০৯) এ্রাটক ঈশ্বর

তবে ১০৯ নং মন্দিরের শিবলিঙ্গের নাম উইকিপিডিয়া ওয়েবসাইটে "জলেশ্বর" হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে।

বংশ পরিচিতি: -

বর্ধমান রাজ পরিবারের (রায় পরিবার) দশম রাজ ধিরাজ ছিলেন মহারাজ তিলকচাঁদ রায়। তিনি শৈশব থেকেই সাহসী, ধৈর্যশালী, বলবান ও সুযোদ্ধা ছিলেন। ১৭88 সালে পিতা (চিত্রা সেন রায়) এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বর্ধমান রাজ্যের (তৎকালীন) মহারাজা হন। এর ঠিক পাঁচ বছর পর ১৭8৯ সালে অত্যন্ত ধৰ্মপরায়না, তেজস্বিনী, নীতিজ্ঞান সম্পন্না ও বিদুষী বিষ্ণুকুমারীর সহিত বিবাহ হয়। কথিত আছে বিবাহানুষ্ঠানে তৎকালীন সময়ে আনুমানিক ১,১৯,০০০ টাকা ব্যয় হয়। বিষ্ণুকুমারী দেবীর দুই কন্যা ও এক পুত্র ছিল। তাদের নাম হল যথাক্রমে তোতাকুমারী, চিত্রকুমারী ও তেজচাঁদ (রায়)। মহারাজা তিলকচাঁদ রায় ১৭৭০ সালে পরলোক গমন করেন। অতঃপর মহারাণী রাজ্যপাট গ্রহণ করেন। ১৭৭৯ সালে ১৬ বছরের তেজচাঁদ রাজ্যপাটের দায়িত্ব নেন। ১৭৯৮ সালে মহারাণী প্রবলভাবে অসুস্থ হন ও অবশেষে ১৭৯৯ সালে তিনি পরলোক গমন করেন।

প্রতিষ্ঠা কথা: -

১৭৭০ সালে মহারাজ তিলকচাঁদ পরলোক গমন করলে তার নাবালক পুত্র রাজকুমার তেজচাঁদের পক্ষে একমাত্র অভিবাহক হিসাবে মাতা মহারাণী বিষ্ণুকুমারী বর্ধমান রাজ্যের শাসনভার গ্রহণ করেন। নয় বছর পর ১৭৭৯ সালে ১৬ বছরের যুবক তেজচাঁদকে রাজ্যের শাসনভারের দায়িত্ব অর্পণ করে রাজধর্ম ত্যাগ করেন মহারাণী বিষ্ণুকুমারী। পরবর্তী ৭ বছর শিবের একনিষ্ঠ উপাসনা এবং মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনায় নস্ত হন তিনি। কথিত আছে একদিন রাতে তিনি স্বপ্ন দেখেন যে, একটি সুন্দর প্রাকৃতিক স্থানে বহু মন্দিরের সমাবেশে, যাগ - যজ্ঞ সহযোগে মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত শিবের উপাসনায় রত তিনি। তারপরেই তাঁর মন্দির তৈরীর পরিকল্পনা আরো গতি পায়। ১৭৮৮ সালে ধর্মপরায়ণা, নীতিজ্ঞান সম্পন্না বিদুষী মহারাণী বিষ্ণুকুমারী বর্ধমানের নবাবহাটে স্বপ্নে দেখা মন্দিরের অনুরূপ শ্রীকান্ত তর্কালষ্কারের লোকের মতানুযায়ী ১০৮ শিব মন্দিরের (প্রকৃতপক্ষে ১০৯) নির্মাণকার্যে ব্রতী হন। তৎকালীন যুগে প্রায় লক্ষাধিক অর্থ ব্যয়ে এই মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন হয় ১৭৮০ সালে। মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন মায়ের নির্দেশে রাজসম্মান ও বংশের ঐতিহ্যকে রক্ষার জন্য মহারাজা তেজচাঁদ নিজে মন্দিরের মূল প্রবেশদ্বারে উপস্থিত থেকে আগত প্রায় লক্ষাধিক ব্রাহ্মণের পদধূলি ও আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। অতঃপর সারাদিন ব্যাপী বিশাল সমারোহে পূজা অর্চনা ও যাগ - যজ্ঞের মাধ্যমে এই ১০৮ শিব মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। সর্বশেষে ব্রাহ্মণ ভোজন এবং ভোগ বিতরণের মাধ্যমে এই শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় এবং এই মন্দিরগুলি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে উৎসর্গ করা হয়।

লোকগাথা: -


  • ইতিহাস ও লোকমুখে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায় যে, তৎকালীন সময়ে প্রতিটি আয়তক্ষেত্রকার মন্দিরের সামনে একটি করে গাছ ছিল। মন্দিরের ভিতরে অবস্থিত দুটি পুষ্করিণী অতিব পবিত্র বলে এলাকার মানুষেরা তৎকালীন সময় থেকে বিশ্বাস করে আসছে।
  • "বর্ধমান ১০৮ শিব মন্দির" বইটি থেকে জানা যায় যে, বিষ্ণুকুমারী নিজে একজন শিবের উপাসিকা হলেও তাঁর সাথে বিবাহ হওয়া বর্ধমানের রাজ পরিবারের ইষ্ট দেবতা ছিল রাধা - কৃষ্ণ / লক্ষ্মীনারায়ণ। আর হয়তো এই কারণেই শ্বশুরবাড়ির সম্মানে মন্দিরের শ্বেত পাথরের উপর খোদাই করে "রাধা - হরি" শব্দটি লিখেছিলেন তিনি যা এখনও লক্ষ্য করা যায়।
  • এছাড়াও মন্দিরের অন্যান্য শিলালিপিতে খোদিত লেখা থেকে জানা যায় যে, লক্ষাধিক অর্থ ব্যয়ে প্রস্তুত এই মন্দির তিনি সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে উৎসর্গ করেন।

গঠনশৈলী: -

  • এই মন্দিরের গঠনশৈলী বা স্থাপত্যকীতি বিস্ময়কর। এই মন্দিরের কাঠামো দুটি সমকেন্দ্রিক বৃত্তের সমন্বয়ে গঠিত। যার বাইরের বৃত্তে ৭8 টি এবং ভিতরের বৃত্তে ৩৪ টি মন্দির রয়েছে। প্রতিটি মন্দির আটচালা রীতিতে গঠিত। প্রতিটি মন্দিরের মাপ ১০ X ১০ X ১৫ ফুট। মন্দিরের ভিতরে প্রতিষ্ঠিত কালো কষ্টিপাথরের প্রতিটি শিব লিঙ্গই যোনী বা গৌরীপট্ট ভেদকারী (যদিও শ্যামল কুমার ঘোষ "বাংলার মন্দিরের খোঁজে" নামক নিজস্ব ব্লগে বলেছেন যে, বাইরের বৃত্তে একটি কৃষ্ণ ও পরেরটি শুভ্র বর্ণের এবং ভিতরের বৃত্তে সবকটিই শুভ্র বর্ণের। এর সাথে তিনি কৃষ্ণ ও শুভ্র বর্ণের শিব লিঙ্গের যথাযথ বিবরণও দিয়েছেন)।
  • ১০৮ মন্দিরের স্থাপত্যরীতি অনেকটা ১০৮ (+১) পুঁতি বিশিষ্ট জপমালার মতো। জপমালায় ১০৮ টি পুঁতি ছাড়াও একটি অতিরিক্ত দানা বা পুঁতি থাকে  যাকে বলা হয় "মেরু"। এখানেও পশ্চিমদিকে অনতিদূরে মূল আয়তক্ষেত্র থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ১০৯ নম্বর মন্দিরটি দেখতে পাওয়া যায়। এটি ৬ ফুট ভিত্তি প্রস্তরের উপর অবস্থিত। যার আয়তন হল ১৩ X ১৩ X ৩৫ ফুট। এটি "পঞ্চরত্ন মন্দির"। এখানে গর্ভগৃহে "জলেশ্বর" নামক শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত থাকায় এটিকে বর্তমানে "জলেশ্বর মন্দিরও" বলা হয়ে থাকে।

বিশেষত্ব: - 

এখানে প্রতি সোমবার "বাবার বার" হিসাবে বিশেষ পূজা হয়। এখানকার মূল উৎসব হল ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে শিবরাত্রির দিন। এর আগের দিন চার-প্রহরে পূজা দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। উক্ত দিনে আলোচাল, ঘি, মধু, গুড়, কলাই, গাঁজা, কলকে সহযোগে বিশেষভাবে মহাদেবের আরাধনা করা হয়। এই সময়ে দূর - দূরান্তের বহু ভক্তের সমাগম হয় এখানে। বিশেষত মহিলারাই এই ব্রত পালন করেন ও উক্ত দিনে বাবার মাথায় জল ঢেলে ও পূজা দিয়ে ব্রতের সমাপন করেন। এই বিশেষ দিনে ৩০০ টাকা জমা দিয়ে নাম - গোত্র সহ পূজা দেবার ব্যবস্থা রয়েছে। এই মন্দিরে বলি দেবার রীতি নেই। সাধারণ সময়েও অনেক ভক্তকে প্রতিটি শিব লিঙ্গের মাথায় জল ঢেলে কলাই ও নকুলদানা দিয়ে পূজা দিতে দেখা যায়। এখানে শিবলিঙ্গ গুলির নাম কোথাও বা মন্দিরের দেওয়ালে খোদিত নেই। মন্দির চত্বরে শ্বেত পাথরের একটি নন্দী মূৰ্তি লক্ষ্য করা যায়।

নব নির্মাণ / সংস্করণ: -

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে এই মন্দিরগুলি ভগ্নপ্রায় অবস্থায় এসে পৌঁছলে ১৯৬8 সালে একটি কমিটি গঠন করে কিছু সংস্কারের প্রচেষ্টা হলেও তা বিশেষভাবে সফল হয় নি। অতঃপর ১৯৬৬ সালে গঠিত হয় "১০৮ শিবমন্দির রিনোভেশন কমিটি"। এসময়ে মন্দিরগুলির পূর্ণ সংস্কার করা হয়। তবে এই কমিটি ক্ষণস্থায়ী হওয়ায় ১৯৬৯ সালে মন্দির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে গঠিত হয় "১০৮ শিবমন্দির মেনটেনেনস কমিটি"। মাত্র ৫ বছর পরই বর্ধমানের তৎকালীন রাজা উদয়চাঁদ ১৯৭8 সালে গঠন করেন "১০৮ শিবমন্দির ট্রাস্টি বোর্ড"। মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সমস্ত দায়ভার এই বোর্ডের। বর্তমানেও এই ট্রাস্টি বোর্ড অক্ষত রয়েছে এবং এই বোর্ডই মন্দিরের সমস্ত দায়ভার বহন করে।

বর্তমান অবস্থা: -

এই মন্দিরে নিত্য দুবেলা দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনা করা হয়। ১৯৭8 সালে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের দ্বারাই বর্তমানে মন্দিরের সমস্ত কার্যকলাপ পরিচালিত হয়। বর্তমানে মন্দির চত্বর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে ও হচ্ছে। পর্যটক ও ভক্তদের সুবিধার্থে মন্দিরের প্রবেশদ্বারের দুপাশে উক্ত ট্রাস্টি দ্বারাই যাত্রী নিবাস করা হয়েছে যেখানে সুলভে ও সুরক্ষিতভাবে পর্যটক ও ভক্তরা রাত্রীযাপন করতে পারেন। এছাড়াও বর্ধমান শহরে আরও অন্যান্য হোটেলেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এটি বর্তমানে বর্ধমানের অন্যতম দ্রষ্টবস্থান হিসাবে চিহ্নিত ও প্রতিষ্ঠিত। 

তথ্যসূত্র: -

  • বর্ধমান ১০৮ শিবমন্দির - নীরদবরণ সরকার।
  • "News 18 বাংলা" ওয়েবপেজে প্রকাশিত ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখের প্রতিবেদন।
  • উইকিপিডিয়া ওয়েবপেজ বর্ধমান নব কৈলাশ মন্দির।
  • উইকিপিডিয়া ওয়েবপেজ বর্ধমান রাজ পরিবার।
  • শ্যামল কুমার ঘোষের "বাংলার মন্দিরের খোঁজে" নামক নিজস্ব ব্লগ পেজ।
  • মন্দিরের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও স্থানীয় কিছু মানুষের সাথে আলাপচারিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যাবলি।

অনির্বাণ সাহা | Anirban Saha








বর্ধমানের ১০৮ শিবমন্দিরের ইতিকথা | বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দিরের খ্যাতি | বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির | নব কৈলাশ মন্দির | শিবরাত্রিতে বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির | সাদা-কালো শিবলিঙ্গের সমাহার | অম্বিকা কালনা ১০৮ শিব মন্দির | বাংলার শিব মন্দির | প্রতাপেশ্বর মন্দির | কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির কালনা | ভারতের বিখ্যাত শিব মন্দির | বর্ধমানের খবর মাটির বাঁধ | বর্ধমানের একশো আট শিব মন্দির | বর্ধমানের ১০৮ মন্দির ও সর্বমঙ্গলা মন্দির | কালনার একশো আট শিবমন্দিরের ইতিহাস | সারা ভারতে ১০৮ শিবমন্দির | কালনা ১০৮ শিব মন্দির | অম্বিকা কালনা নবকৈলাশ | জগন্নাথ বাড়ির জোড়া শিবমন্দির | রাঢ়ের টেরাকোটা মন্দির | আশ্চর্য ১০৮ শিব মন্দির | ঐতিহ্যময় কালনা | মন্দিরনগরী কালনা | কালনার ইতিকথা | বাংলার শিব মন্দির | প্রতাপেশ্বর মন্দির | কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির কালনা | ভারতের বিখ্যাত শিব মন্দির | কালনার মন্দির | বাংলা প্রবন্ধ | বাংলার লেখক | প্রবন্ধ ও প্রাবন্ধিক | সেরা প্রবন্ধ ২০২২ | শব্দদ্বীপ | শব্দদ্বীপের লেখক | বাংলা ম্যাগাজিন | ম্যাগাজিন পত্রিকা | শব্দদ্বীপ ম্যাগাজিন


108 Shiva Mandir - Burdwan | Famous Shiv Mandir | 108 shiva temple, Bardhaman | Bardhaman 108 Shiva Temple | 108 Shiv Mandir Ambika Kalna | 108 Shiv Mandir Photos | Kalna 108 Shiva Temple Ambika | kalna 108 shiv mandir opening time | 108 shiv mandir burdwan opening time | 108 mahadev mandir, burdwan distance | kalna 108 shiv mandir history in bengali | 108 shiv mandir burdwan wikipedia | 108 shiv mandir in kolkata | 108 mahadev mandir burdwan address | 108 shiv mandir burdwan history | 108 Siva Temples in Kerala | bengali poetry | bengali poetry books | bengali poetry books pdf | bengali poetry on love | bangla kobita | poetry collection books | poetry collections for beginners | poetry collection online | poetry collection in urdu | poetry collection submissions | poetry collection clothing | new poetry | new poetry 2022 | new poetry in hindi | new poetry in english | new poetry books | new poetry sad | new poems | new poems in english | new poems in hindi | new poems rilke | new poems in urdu | bangla poets | indian poetry | indian poetry in english | indian poetry in urdu | indian poems | indian poems about life | indian poems about love | indian poems about death | bengali story | bengali story books for child pdf | bengali story books for adults | bengali story books | bengali story books for child | bengali story books pdf | bengali story for kids | bengali story reading | short story | short story analysis | short story characteristics | short story competition | short story definition | short story english | short story for kids | short story generator | short story ideas | short story length | long story short | long story short meaning | long story | long story instagram | story writing competition | story writing competition topics | story writing competition for students | story writing competition malayalam | story writing competition india | story competition | poetry competition | poetry competitions australia 2022 | poetry competitions uk | poetry competitions for students | poetry competitions ireland | poetry competition crossword | writing competition | writing competition malaysia | writing competition london | writing competition hong kong | writing competition game | writing competition essay | writing competition australia | writing competition prizes | writing competition for students | writing competition 2022 | writing competitions nz | writing competitions ireland | writing competitions in africa 2022 | writing competitions for high school students | writing competitions for teens | writing competitions australia 2022 | writing competitions 2022 | writing competitions uk | bengali article writing | bangla news article | bangla article rewriter | article writing | article writing ai | article writing app | article writing book | article writing bot | article writing description | article writing example | article writing examples for students | article writing for class 8 | article writing for class 9 | article writing format | article writing gcse | article writing generator | article writing global warming | article writing igcse | article writing in english | article writing jobs | article writing jobs for students | article writing jobs work from home | article writing lesson plan | article writing on child labour | article writing on global warming | article writing pdf | article writing practice | article writing topics | trending topics for article writing 2022 | what is article writing | content writing trends 2022 | content writing topics 2022 | Bangla Prabandha | Probondho | Definite Article | Article Writer | Short Article | Long Article | Bangla kobita | Kabitaguccha 2022 | Galpoguccha | Galpo | Bangla Galpo | Bengali Story | Bengali Article | Shabdodweep Writer | Shabdodweep

2 comments:

  1. তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। মন্দির দর্শন করে এলেও জানা ছিলো না অনেক কিছুই। লেখকের পরিশ্রম সার্থক হবে, যদি আরো মানুষের কাছে এই ভান্ডার পৌঁছে যায়।

    ReplyDelete
  2. Onek ojana jana holo....thank you so much

    ReplyDelete