Sunday, August 7, 2022

নীলকণ্ঠ - ত্রিভুবনজিৎ মুখার্জী | গল্প ২০২২ | Story 2022

নীলকণ্ঠ

- ত্রিভুবনজিৎ মুখার্জী


(প্রথম পর্ব)


অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম গ্রামের আদিবাসী নর নারীর বিষয় কিছু লিখি। কোরাপুট জেলার কিছু দুর্গম অঞ্চলে বেশ ছোট বেলায় বাবার সঙ্গে  টুরে সরকারি জিপে ঘুরেছি। তখন সভ্যতার বিন্দু বিসর্গ ঐসব অঞ্চলে ঢোকেনি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র,খাদ্য পানীয় কিছুই ছিলো না বলতে গেলে । কিন্তু তবুও ওরা হাঁসি মুখে অনেক কষ্টে জঙ্গল জমির ওপর নির্ভর করে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতো। ১৯৬২ -৬৩ সালের কথা বলছি। 
আমি আজ যাদের কথা বলবে তাদের নাম নীলকণ্ঠ ও তার প্রেমিকা চম্পার কথা। এখানে যা লিখছি সেটা এখনকার চিন্তা নিয়ে। তখন ঐ সব আমি বুঝতামনা জানতাম না।
নীলকণ্ঠ আমাদের বাড়িতে কাজ করতো। দিনের বেলায় কাঠ কেটে জড়ো করে রাখতো একটা যায়গায়। তখন না ছিলো গ্যাস না ছিলো কয়লা আমাদের সারা বছর ঐ কাঠের উনুনই ভরসা।
একটা রান্নার লোক ছিলো নাম মিশ্র। সে খুব তেল মসলা দিয়ে রান্না করতো তাই মা ওকে আর রাখেন না। পরে ছত্তিসগড়ের এক ছেলে নাম মঙ্গল সিং বাবার খাস বাবুর্চি হন। কারণ সে ভালো মাংস এবং মুরগী র মাংস রান্না করতে জানতো। আমার বাবা খেতে এবং খাওয়াতে খুব ভালো বাসতেন। তখনকার দিনে বাড়িতে অতিথি এলে তাদের আপ্যায়ন করা সংসারের কর্তা এবং গৃহিণীর প্রধান কর্তব্য ছিলো।
প্রসঙ্গে আসি। নীলকণ্ঠ আদিবাসী নাট্যগুরু ছিলো। ও ওদের ভাষায় গান লিখতো এবং সুর দিতো। নিজে গাইতো পুরুষ কণ্ঠে। তার প্রেমিকা চম্পা স্ত্রী কণ্ঠে সুরেলা সুরে গাইতো। প্রশ্ন করুন আমি কি করে এইসব জানলাম? বলছি.... নীলকণ্ঠ শুধু গান লেখা-গাওয়াই নয়, ও সুন্দর বাঁশি বাজাতো। এক ছোট্ট বালক তখন আমি। ঐ বাঁশির সুর এতোই মন মুগ্ধ কর ছিলো যে আমি ওর পাশে বসে ওর বাঁশির সুর শুনতাম। নীলকণ্ঠ আমাকে খুব স্নেহ করতো। একদিন বলে, বাবু পৌষ পূর্ণিমাতে আমাদের গ্রামে নাচ গান হবে। সারা রাত ধং। ড়া (যুবক) ধং। ড়ি (যুবতি) দের নাচ হবে । আমি মাদল বাজাবো আর বাঁশি বাজাবো। অনেক গান হবে। তুমি দেখবে?  আমি বলি, মা বকবে আমাকে ছাড়বেন না। আমি কি করে যাবো? তাছাড়া ঐ রাত জেগে কে তোমাদের নাচ গান দেখবে?
নীলকণ্ঠ বলে আমি মালকিন (আমার মা)কে বলে তোমায় নিয়ে যাবো বাবু। তুমিতো গান ভালোবাসো তাই বললাম।
আমি বলি ঐ গানটা গাইবি :
নরিয়া বুড়া নরিয়া বুড়া কেনে যাইলু তুই
নাকটি ডংরে জুই লাগিলা লিভাই যাইলি মুই
বাটে বাটে যাই রইলি টেন্ডকা ডরাইলা
টেন্ডকা মেন্ডকা নাইরে সমুদি মুই তো ডরাইলি।
......কিছু বুঝলেন এই গানের মানে?
বুঝলেন নাতো ! জানতাম !! কি করে বুঝবেন? এতো ওদের কথিত ভাষা। তা ৬০ বছর আগেকার কথা। তখন আমার ৯ বছর বয়েস। ওখানকার স্কুলেই পড়তাম আমি।
গানের মানে হচ্ছে.... এক সমুদি,মানে বেয়াই তার বেয়াই কে বলছে  নাকটি ডংগর মানে পাহাড়। সেখানে জুই মানে আগুন লেগেছিলি। সেই আগুন নেভাতে গিয়েছিলাম কারণ তখন পাকা ধানের ফসলে ক্ষেত ভর্তি। যদি আগুন না নেভাতে পারি তাহলে সমস্ত ক্ষেতের ফসল পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। রাস্তায় যেতে যেতে টেন্ডকা মানে গিরগিটি  ডরাইলা মানে ভয় দেখালো। কিন্তু গিরগিটি নয় ওটা আমি ছিলাম ভয় দেখাতে।
এইসব গান তারপর "ঢেমসা মার ননা"  আরো অনেক গান।
ওদের গানের বিশেষত্ব হচ্ছে ওরা নিজেদের প্রকৃতি, পরিবেশ এবং পর্ব এইসব নিয়েই গান রচনা করতো। তাতে সুর দিয়ে নাচ করতো গান গেয়ে গেয়ে। সেই গানের মধ্যে ছিলো ওদের সুখ দুঃখের কথা। বাদ্য যন্ত্র বলতে মাদল সানাই আর বাঁশি।
নীলকণ্ঠ ওদের গ্রামের নাট গুরু। ও নিজে গান লিখতো সুর দিতো আর গাইতো। সেই গানের সঙ্গে ওর প্রেয়সী চম্পাকে নাচতে দেখে ও বিভোর হয়ে থাকতো। আমি ওদের দুজনকে হর পার্বতী বলতাম। ঠিক মনে হত হর পার্বতী সংগীতের তালে নাচছেন।
নীলকণ্ঠ আমাদের বাড়িতে কাজ করতো। তার প্রেয়সীর জন্য ফুলের মালা নিয়ে যেত। চম্পা সেই মালা পরে নাচতো। ওদের মধ্যে এক নীরবচ্ছিন্ন ঐশ্বরিক প্রেম ছিলো সেটা মনের মিলন। আমি তখন অতো বুঝতামনা এখন আন্দাজ করি ওদের প্রেমের কথা। প্রকৃতির তালে তালে বসন্ত র মৃদু হওয়াতে দুটি হৃদয়ের মধ্যে প্রেমের আদান প্রদান। সেটা দৈহিক নয় ঐশ্বরিক মনের মিলন। 
আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম নীলকণ্ঠকে ও কি চম্পাকে বিয়ে করবে? নীলকণ্ঠ বলতো বাবু আমার বিয়ে হয়েছিলো লক্ষ্মীর সাথে কিন্তু ও এক বছরের মধ্যে মারা যায়। ওর বিরহের শোক আমি ভুলতে পারিনা। ওকে ভোলার জন্য জঙ্গলে গিয়ে বাঁশি বাজাতাম। লক্ষ্মী বলতো আমাকে ভুলে যাও আবার বিয়ে কর। কিন্তু আমি ওর যায়গায় অন্য কাউকে বসাতে পারবোনা বাবু বলে কেঁদে ওঠে। শক্ত সামর্থ্য এক জোয়ান মানুষের চোখে জল দেখে আমার শিশু মন বিচলিত হত। আমি বলতাম তুমি চম্পাকে বিয়ে করে সুখে স্বচ্ছন্দে ঘর সংসার কর।
কিন্তু নীলকণ্ঠ বলতো চম্পার বাবা ওকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে গর রাজি। আমার একটা বৌ মরেছে ও এলে ও মরে যাবে ওর বাবার সেই ভয়। চম্পার বাবার মেয়ে অন্ত প্রাণ। মা হারা মেয়েকে সে আগলে রাখতো কোন রাজকুমারের সঙ্গে বিয়ে দেবে বলে। চম্পা কিন্তু নীলকণ্ঠ কে পছন্দ করতো।

(দ্বিতীয় পর্ব)

            
নীলকণ্ঠ একদিন মুখ ভার করে কাঠ কাটছে। আমি স্কুলে যাওয়ার জন্য তাড়া হুড়ো করছি। মা জলখাবারে রুটি তরকারি আর গরুর দুধ এক গেলাস দিলেন খেতে। আমি বলি মা গরুর দুধ খেতে পারবোনা ওটা তুমি রেখে দাও। পরে খাব। আমাদের বাড়িতেই কিন্তু গরু ছিলো। মঙ্গল দুধ দুয়ে মাকে দুধের বালতি দিতো। মা সেই দুধ জাল দিতেন। এখন ভাবি আমরা যা খেয়েছি তার শিকি আনা আমাদের ছেলে বৌমা নাতনি খায়নি। কলকাতার ভেজাল দুধে নাতনি মুখে দেয়না। একেই বলে কপাল।
আমি স্কুলে হেঁটেই যেতাম। পরনে স্কুল ড্রেস আর ক্যানভাসের সু। পকেটে আট আনা দামের পাইলট পেন। সে আবার লিক করে তার গায়ে ভেসলিন দিয়ে লিক বন্ধ করতাম।
নীলকণ্ঠকে দেখলাম এক কাঠের গুঁড়ির ওপর বসে আছে গালে হাত দিয়ে।
- আমি বলি কি হল? ওরম গালে হাত দিয়ে বসেছো কেন?
- কিছু না বাবু পরে বলবো তুমি এখন স্কুলে যাও।
- ঠিক আছে ওরকম দুঃখ করে বসবে না। তুমি না গান লেখ,গাও। গান যারা করে তাদের মন সর্বদা প্রফুল্ল থাকে বুঝলে। মন ভালো রাখো।
- নীলকণ্ঠ বলে তুমি বড় ভালো বাবু। তুমি কারুর দুঃখ সইতে পারো না। তাইনা?
- অন্যের মুখে নিজের প্রশংসা সামনে শুনতে নেই। বিশেষ করে সামনে।
- কেন?
- মা বলেন ওতে অহংকার বাড়ে। যেটা ক্ষতিকারক।
- না বাবু ভালো কে ভালো মন্দ কে মন্দ বলতে আমাদের ছোট বেলা থেকে শিখিয়েছেন। এখন কি করে পাল্টাই।
- ঠিক আছে। আমি আসি কেমন। আমি স্কুলে চলে গেলাম।

ফিরে এসে দেখি নীলকণ্ঠ আজ তাড়া তাড়ি কাজ সেরে চলে গিয়েছে।
কি ব্যাপার?
 মাকে জিজ্ঞাসা করাতে মা বললেন ওর বাড়িতে কিছু সমস্যা হয়েছে। ওতো মুখে কিছুই বলেনা। আমিও আর জিজ্ঞাসা করিনি। তুই বাবা হাত মুখ ধুয়ে স্নান সেরে খেতে বোস।
কথা না বাড়িয়ে স্নান ঘরে চলে যাই। খেয়ে একটু রেস্ট নিয়ে পড়তে বসি। আমাদের সকালের স্কুল ছিলো। সকাল ৭ টা থেকে ১ টা।
পরের দিন নীলকণ্ঠ এলো কিন্তু আগের মতন মুখ ভার।
- কি হোল নীলকণ্ঠ দা?
- কিছু নয় বাবু। তুমি স্কুলে যাও।
- আজ স্কুল নেই।
- ও তাই!
- এবার বল কি সমস্যা তোমার?
- তুমি বাচ্চা ছেলে আমি কি করে তোমায় বলি বাবু?
- তবে ঠিক আছে আমায় না বল আমার মাকে বল তবে।
- মালকিনকে? না না ওনাকেও বলা যাবেনা।
- আমাকে বলবে না, মাকে বলবে না, কি হয়েছে তোমার বল।
- অনেক দুঃখের কথা বাবু। কারে বলি বল? মনের দুঃখ মনেই রাখি।
- আমায় না বললে.....
- শোন বাবু তবে বলি। এটা কিন্তু কাউকে বোলো না যেন।
- আচ্ছা।
- শোন বাবু....চম্পার বিয়ে আমাদের গ্রামের কাছে এক মহাজনের ছেলের সঙ্গে ওর বাবা ঠিক করেছে। চম্পা আমায় কেঁদে কেঁদে পরশু  বলে, চল আমরা কোথাউ পালিয়ে যাই। আমি তখন তোমাদের বাড়ি থেকে কাজ সেরে ফিরছিলাম। রাস্তায় চম্পার সঙ্গে দেখা।
- সেকি ! তুমি কি বললে চম্পাকে?
- আমি বললাম, আমার নিজের ভিটে মাটি ছেড়ে কোথাও যাবো না। পালিয়ে যাওয়া কাপুরুষের কাজ আমি কাপুরুষ নই। আমি গরিব হতে পারি কিন্তু তোমার বাবার অমতে তোমাকে নিয়ে পালাবো কোন দুঃখে। আমার লক্ষ্মী আমায় ক্ষমা করবেনা। ঐ ধরনের কথা আমায় বলো না চম্পা।
- চম্পা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে। ওর চোখের জল শুকিয়ে গালে দাগ হয়ে গিয়েছিলো।
- এইসব শুনে আমি কি করবো?
- আমিতো সেইজন্যে তোমাকে বলতে চাইছিলাম না। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও।
- এখন কি করবে নীলকণ্ঠ দা?
- কি আর করবো? যা ভগবানের ইচ্ছা তাই হবে। আমার কি করার আছে? আমাদের আদিবাসীদের বিয়েতে কন্যাকে যৌতুক দিয়ে আনতে হয়। আমার কাছে তো টাকা নেই। আমি কি করে ঐ সব দেব?
- কি কি লাগে?
- গরু, বলদ,মুরগী, ছাগল, সব দিতে হয় আমাদের পণ হিসেবে কোনের বাড়িতে নাহলে কনের বাবা মা মেয়েকে সম্প্রদান করেনা।
- আমার মাকে বলবো মা কিছু একটা ব্যবস্থা করবে বাবাকে বলে। তোমাকে ব্যস্ত হতে হবেনা।
- নীলকণ্ঠ  আমার শিশু সুলভ কথায় হেঁসে ওঠে। কিন্তু ওর হাঁসিটা ম্লান যেন নিষ্প্রাণ এক মানবের মুখের হাঁসি।

(তৃতীয় পর্ব)


নীলকণ্ঠ একদম মন মরা হয়ে আছে। ওকে কি করে আবার পূর্বাবস্থায় ফেরানো যায় ভাবছি। রবিবার নীলকণ্ঠ এলো না বাড়িতে। না বলে কোনোদিন কাজে কামাই করেনা। মা বললেন ওর কি শরীর খারাপ হোল? খবর নেওয়ার ও কোন উপায় নেই। রবিবার ওদের গ্রামে হাট বসে।
পরের দিনও এলো না নীলকণ্ঠ। কি ব্যাপার? স্কুল থেকে ফিরে মাকে জিজ্ঞাসা করলাম নীলকণ্ঠ এসেছিলো?
মা বললেন না আসেনি। তুমি ওর বিষয় মাথা ঘামিও না।
স্নান সেরে খেয়ে একটু সোফায় বসলাম। কি হতে পারে? তবে কি চম্পাকে নিয়ে কি কোন সমস্যা হোল? চম্পাকে নিয়ে কি নীলকণ্ঠ কোথাও চলে গেল? ওকি আর আসবেনা আমাদের বাড়ি ? নানান প্রশ্ন মনে জাগে।
কখন ঘুমিয়ে পড়েছি জানিনা। মায়ের ডাকে উঠে পড়লাম।
মা বললেন নীলকণ্ঠকে থানায় ধরে নিয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামের এক লোক এসে বলে গেলো।
- সেকি ! আমি বলি।
- তোকে ঐ নিয়ে ভাবতে হবেনা।
মনে মনে ভাবি কি হতে পারে?
আমাদের স্কুলে ঐ নীলকণ্ঠদের গ্রামের এক ছেলে আমার সঙ্গে পড়তো। ওর মুখে শুনলাম গ্রামের হাটেতে চম্পা ওর বান্ধবীদের সঙ্গে গিয়েছিল ওর কিছু প্রসাধন কিনতে। সেই সময় পাশের গ্রামের মোড়লের ছেলে দুঃশাসন চম্পার হত ধরে টানে এবং অশালীন ব্যবহার করে। ঐ সময় নীলকণ্ঠ দেখতে পেয়ে দুঃশাসন কে উত্তম মধ্যম দেয়। দুঃশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে একটা কুড়ুলে নীলকণ্ঠকে আঘাত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। নীলকণ্ঠ পাল্টা আক্রমণ করে দুঃশাসনের হাতে কুড়ুলে আঘাত করে। দুঃশাসনের হাত কেটে রক্ত পড়ে।
পুলিশ নীলকণ্ঠকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ চার্জশিট ফ্রেম করে নীলকণ্ঠকে কোর্ট ফরোয়ার্ড করে। নীলকণ্ঠর এক বছর জেল হয়।
মা বাবাকে নীলকণ্ঠর ব্যাপার বলি। মা বলেন তুমি পড়াশুনো কর  ঐসব তোমার জানার প্রয়োজন নেই।
এরমধ্যে চম্পার বাবা কোন দুরারোগ্য রোগে মৃত্যু বরণ করেন। চম্পার কাছে তার মাসি মেসো এসে থাকে। চম্পা প্রায় নীলকণ্ঠকে দেখা করতে যেত জেল এ।
আবার একদিন দুঃশাসন চম্পাকে তার ঘরে গিয়ে বিরক্ত করার সময় চম্পা কাটারী নিয়ে তাড়া করে। চম্পার মেসো ওর জন্য পাত্র দেখতে শুরু করেন কিন্তু চম্পা গররাজি হয়।
চম্পা আগের মতন আর মিষ্টি হাঁসি খুশি মেয়ের মতন দেখায় না। ও বান্ধবীদের সঙ্গে খুব একটা মেশে না। আর নাচ গান করেনা। উমা যেমন ঘোর তপস্যা করে শিব কে স্বামী রূপে পেয়েছিলেন ঠিক চম্পা তার নীলকণ্ঠর জন্য অপেক্ষা করছে কবে সে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তার চম্পাকে নিয়ে ঘর সংসার করবে।
আজ সেই দিন এলো। নীলকণ্ঠ জেল থেকে ভালো কাজের জন্য ছাড়া পেল। চম্পা ওকে গাঁদা ফুলের মালা পরিয়ে বাড়িতে নিয়ে এল। চম্পার মেসো মাসি আপত্তি না করে ওদের দুজনের আদিবাসী প্রথা মতন বিয়ে দিলেন। এখন নীলকণ্ঠ আবার বাঁশি বজায় আর চম্পা ওর গানের সুরের তালে নাচ করে। ওদের মিলন হর পার্বতীর মিলনের মতন পবিত্র।


নীলকণ্ঠ | নীলকণ্ঠ পাখি | নীলকণ্ঠ শিব | নীলকণ্ঠ কিসের উদাহরণ | নীলকণ্ঠ অর্থ | নীলকণ্ঠ ইন অল অস্ত্র টিপস | নীলকন্ঠ পাখির ছবি | নীলকন্ঠ পাখি কিসের প্রতীক | আজকের নীলকন্ঠ | পাখির নাম নীলকণ্ঠ | নীলকণ্ঠ (চলচ্চিত্ৰ) | নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে | অনিন্দ্য সুন্দর নীলকণ্ঠ | নীলকণ্ঠ দিবস | শব্দদ্বীপের লেখক | শব্দদ্বীপ | সেরা বাংলা গল্প | গল্প ও গল্পকার | সেরা সাহিত্যিক | সেরা গল্পকার ২০২২ | বাংলা বিশ্ব গল্প | বাংলা গল্প ২০২২ | বাংলা ম্যাগাজিন | ম্যাগাজিন পত্রিকা | শব্দদ্বীপ ম্যাগাজিন


nilkantho | Bengali Poetry | Bangla kobita | Kabitaguccha 2022 | Poetry Collection | Book Fair 2022 | Bengali Poem | Shabdodweep Writer | Shabdodweep | Poet | Story | Galpoguccha | Galpo | Bangla Galpo | Bengali Story | Bengali Article | Bangla Prabandha | Probondho | Definite Article | Article Writer | Short Article | Long Article | Article 2022


ত্রিভুবনজিৎ মুখার্জী | Tribhuban Jit Mukherjee


1 comment: